বিপিএল: চট্টগ্রামকে ফাইনালে তুললেন অধিনায়ক মেহেদী

রাজশাহী না চট্টগ্রাম—আজ ফাইনালে যাবে কোন দল

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আগে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নতুন করে কোনো বিদেশি ক্রিকেটারকে আনেনি। লিগ পর্বে শীর্ষ দল হিসেবে কোয়ালিফাই করা রাজশাহীর অলরাউন্ডার জিমি নিশামের চলে যাওয়ার কথা ছিল প্লে–অফের আগেই। তবে জাতীয় দল থেকে ছুটি নিয়ে ফাইনাল পর্যন্তই দলের সঙ্গে থাকছেন তিনি।

তাদের প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস লিগ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচে হারায় প্লে–অফে কিছুটা অস্বস্তিতে নিয়েই নামবে।

পাওয়ার প্লেতে ৩৭ রান রাজশাহীর, সাহিবজাদার বিদায়

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের উদ্বোধনী জুটির ব্যাটিং দেখে মনে হয়নি টি–টোয়েন্টি ম্যাচ চলছে। সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসানের উদ্বোধনী জুটি ৫.৩ ওভারে তুলতে পারে মাত্র ৩০ রান।

১৯ বলে ২১ রান করা সাহিবজাদাকে হাসান নেওয়াজের ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম। রাজশাহী পাওয়ার প্লে শেষ করেছে ১ উইকেট ৩৭ রান তুলে। তানজিদের সঙ্গে ব্যাট করছেন নাজমুল হোসেন।

মেহেদীর জোড়া আঘাত, নাজমুলের পর ফেরালেন মুশফিককে

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ১০ ওভারে ৬১/৩

মেহেদী হাসানকে হ্যাটট্রিক করতে দেননি আকবর আলী। নবম ওভারের তৃতীয় বলে রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুলকে বোল্ড করার পর চতুর্থ বলে ক্যাচ বানান মুশফিকুর রহিমকে। পরের বলটা ঠেকিয়ে দেন আকবর আলী।

৪৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে রাজশাহী। উইকেটে আছেন আকবর ও তানজিদ হাসান। আকবর তানভীরের করা ১০ম ওভারে ক্যাচ তুলেও বেঁচে গেছেন আমের জামালের ব্যর্থতায়। ক্যাচটি নিতে গিয়ে উল্টো চোট পেয়েছেন পাকিস্তান এই খেলোয়াড়।

বেশিক্ষণ টেকেননি আকবর আলী

রাজশাহী: ১২ ওভারে ৭৩/৪

১০ম ওভারে ক্যাচ তুলে বেঁচে গেলেও বেশিক্ষণ টিকলেন না আকবর আলী। ১২তম ওভারে তাঁকে ফিরিয়েছেন মুকিদুল ইসলাম। ক্যাচ তুলে আউট হলেন ১০ বলে ৩ রান করা আকবর। ৬৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারাল রাজশাহী।

তানজিদ হাসান ৩০ বলে ৩৬ ও জিমি নিশাম ১ বলে ১ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

আরও চাপে রাজশাহী

রাজশাহী: ১৫ ওভারে ৮৫/৫

ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না তানজিদ। রাজশাহীর এই ওপেনার ৩৭ বলে ৪১ রান করে ফিরেছেন হাসান নেওয়াজের বলে।

৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মেহেদী

ফিরলেন নিশামও

রাজশাহী: ১৬ ওভারে ৯৮/৬

এবার ফিরলেন জিমি নিশামও। মির্জা বেগের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ৬ রান করে আউট হয়েছেন নিশাম। এই ওভারেই আব্দুল গাফফার সাকলাইন মেরেছেন টানা ২ ছক্কা।

এই শটটি খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন নিশাম

আবার শরীফুল

শরীফুলের বলে ফিরলেন রায়ান বার্ল। তিনি করেছেন ৩ রান।

এবারের বিপিএলে শরীফুলের উইকেট হলো ২৪টি। যা বিপিএলের এক মৌসুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর ১ উইকেট পেলেই এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৫ উইকেট নেওয়া তাসকিন আহমেদকে ছুঁয়ে ফেলবেন শরীফুল।

রাজশাহীর ১৩৩

শেষ পর্যন্ত ভালো সংগ্রহই গড়ল রাজশাহী। ১৫ ওভারে ৮৫ রান করা রাজশাহী শেষ ৫ ওভারে রান তুলেছে ৪৮। সাকলাইনের ১৫ বলে ৩২ রানের ইনিংসেই ১৩৩ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছে রাজশাহী। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন তানজিদ।

উইকেট নেই, রানও নেই

চট্টগ্রাম: ৬ ওভারে ৩১/০

উইকেট না নিতে পারলেও চট্টগ্রামের দুই ওপেনারকে চেপে ধরেছে রাজশাহীর বোলাররা। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দলটি পাওয়ার প্লেতে খরচ করেছে ৩১ রান ।

চট্টগ্রামও এমন শুরুতে খুব বেশি অখুশি হবে না। কারণ লক্ষ্যটা ১৩৪।

কঠিন হয়ে গেল যুবাদের সমীকরণ

বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে গেল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যুবাদের দ্বিতীয় ম্যাচ। বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে ম্যাচটিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড।

১০ ওভারে চট্টগ্রামের দরকার ৮২

চট্টগ্রাম: ১০ ওভারে ৫২/২

অনেকটা ওয়ানডে মেজাজেই খেলছেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। ১৩৪ রানের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মিলে তুলেছেন মাত্র ৫২ রান। উইকেট না হারালেও হাত খুলে খেলতে পারছেন না নাঈম ও বেগ।

৮ ওভারে চট্টগ্রামের দরকার ৬৮

এই উইকেটে রান করাটা কঠিনই ছিল। তবে এটিকে যেন আরও কঠিন বানিয়ে ফেলেছেন চট্টগ্রামের ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। আজ প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৩৮ বলে ৩০ রানের ‘ওয়ানডে’ ইনিংস খেলেছেন তিনি।

এক ওভারে দুই ছক্কা হাসানের

রিপনের এক ওভারে ২ ছক্কা মেরে সমীকরণটা কিছুটা সহজ করে ফেললেন হাসান নেওয়াজ। শেষ ৫ ওভারে দলটির প্রয়োজন ৪০ রান। উইকেটে আছেন হাসান ও বেগ। ১৯ রানে ব্যাটিং করছেন হাসান, বেগ ৩৮।

কারা যাবে ফাইনালে

চট্টগ্রাম: ১৫.৩ ওভারে ৯৮/২

১৪ বলে ২০ রান করে ফিরলেন হাসান নেওয়াজ। বাঁহাতি স্পিনারা হাসান মুরাদের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ফিরেছেন তিনি।

ফিরলেন আসিফও

৮ বলে ১১ রান করে সাকলাইনের বলে আউট হলেন আসিফ আলী। চট্টগ্রামের সামনে ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ এখন ১৬ বলে ২২ রানের।

শেষ ওভারে চট্টগ্রামের দরকার ৯, এরপর যা হলো

প্রথম বল: রিপনের করা প্রথম বল থেকে এসেছে ১ রান।

দ্বিতীয় বল: অসাধারণ শট! মিড অফ অঞ্চল দিয়ে ছক্কা মারলেন মেহেদী।

তৃতীয় বল: ২ রান।

চট্টগ্রামে জয়। রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারাল চট্টগ্রাম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রাজশাহী: ২০ ওভারে ১৩৩ (তানজিদ ৪১, সাকলাইন ৩২; মেহেদী ২/২০, জামাল ২/২৭)

চট্টগ্রাম: ১৯.৩ ওভারে ১৩৪/৪ (মির্জা ৪৫, মেহেদী ১৯*; সাকলাইন ২/২০, হাসান ১/২৬)

ম্যাচসেরা: মেহেদী হাসান

ফাইনালে চট্টগ্রাম

৯ বলে অপরাজিত ১৯ রানের ইনিংসে চট্টগ্রামকে ফাইনালে তুলেছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান। এর আগে বল হাতেও ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছেন মির্জা বেগ।

এই জয়ে ফাইনালে উঠেছে মেহেদীর চট্টগ্রাম। রাজশাহী অবশ্য এখনো বাদ পড়ছে না। আগামীকাল সিলেটের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে রাজশাহী।

১৯* রান করেছেন মেহেদী