কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব
কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব

ফাইনালে সুযোগ থাকলে গম্ভীরও ব্যাটিংয়ে নেমে যেতেন, বললেন সূর্যকুমার

আজ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত। ফাইনালের জন্য কতটা প্রস্তুত সূর্যকুমার যাদবের দল?

ভারত অধিনায়ক জানালেন, দলের আবহাওয়া এতটাই ফুরফুরে আর চনমনে যে সুযোগ থাকলে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর নিজেই প্যাড পরে মাঠে নেমে পড়তেন!

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। এই আহমেদাবাদেই ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল ভারত। ঘরের মাঠে ভারত ফাইনাল জিতেছে একবারই—২০১১ সালে। সেই ম্যাচে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বর্তমান দলের কোচ গম্ভীর।

গতকাল ফাইনাল–পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে গম্ভীরের ফাইনাল নিয়ে কৌশল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে সূর্যকুমার বলেন, ‘সম্ভব হলে তিনি নিজেই প্যাড পরে ব্যাটিংয়ে নেমে পড়তেন। উনি এর আগেও ফাইনালে খেলেছেন এবং বিশ্বকাপ জিতেছেন।’

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে গৌতম গম্ভীর ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন

ভারত অধিনায়ক জানান, গম্ভীর দলে ব্যক্তিগত মাইলফলক অর্জনের সংস্কৃতি বদলে দিয়েছেন। এখন দলের মূল লক্ষ্য একে অপরকে সাহায্য করা এবং নিজের ভূমিকা ঠিকঠাকভাবে পালন করা। সূর্যের মতে, গম্ভীর বিশ্বাস করেন যে শুধু এক বা দুজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্ট জেতা সম্ভব; জেতার জন্য সবার ছোট ছোট অবদান প্রয়োজন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ ছিল বিধ্বংসী। অভিষেক শর্মা ছাড়া সবার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭০–এর ওপরে। উদাহরণ হিসেবে সূর্যকুমার তিলক বর্মার ৭ বলে ১৮ রানের ক্যামিও ইনিংসের কথা মনে করিয়ে দেন। সূর্য জানিয়েছেন, ভারতের ড্রেসিংরুমে এসব ইনিংসের মূল্য ফিফটির সমান।

অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের বড় কোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল হতে যাচ্ছে এটি

গম্ভীরের ক্রিকেট–দর্শন নিয়ে সূর্যকুমার বলেন, ‘ওনার কাছে দলের লক্ষ্যের চেয়ে বড় কিছু নেই। যদি প্রথম বলেই ছক্কা মারার প্রয়োজন হয়, তবে সেটাই করতে হবে। আবার পরিস্থিতির প্রয়োজনে নিজের স্বাভাবিক খেলা বদলে রক্ষণাত্মক হতে হলেও তা করতে হবে।’

অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের বড় কোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল এটি। ভারত তাদের সর্বশেষ দুই ফাইনাল খেলেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি সামনে রেখে কিছুটা স্নায়ুচাপে আছেন বলে স্বীকার করেন সূর্য, ‘এমন একটি দলকে ঘরের মাঠে ফাইনালে নেতৃত্ব দেওয়া অবশ্যই এটি একটি বিশেষ অনুভূতি। কিছুটা স্নায়ুচাপ তো আছেই, কিছুটা তো চিন্তিত বটেই। তবে আমি সব সময় যেমনটা বলি—চাপ না থাকলে তো মজাই নেই। তাই আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’