আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে তাদের মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের যুবারা
আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে তাদের মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের যুবারা

অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই

উজবেকিস্তানের কাছে দুই গোলে হার বাংলাদেশের  

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক উজবেকিস্তানের কাছে আজ ২–০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিয়া। আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে তাদের মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের যুবারা।

জুনিয়র কিংবা সিনিয়র—কোনো পর্যায়েই এখন পর্যন্ত উজবেকিস্তানকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। এই ম্যাচের আগে যুব দল তাদের বিপক্ষে খেলেছে দুটি ম্যাচ। জাতীয় পুরুষ দল খেলেছে তিনটি। পাঁচ ম্যাচের সব কটিতেই হার বাংলাদেশের।

তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে শুরু থেকেই চাপে ছিল বাংলাদেশ। ২০ মিনিটে সেই চাপের ফলও আসে। রক্ষণভাগের জটলার মধ্যে থেকে শট নেন স্বাগতিক মিডফিল্ডার কুভানিষবেক সায়দালিয়েভ। তাঁর শট বাংলাদেশের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়। তাতেই ১–০ গোলে এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান।

গোল খাওয়ার চার মিনিট পরই জোড়া বদল করেন বাংলাদেশের কোচ জেরার্ড জোন্স। রাইসুল ইসলামের বদলে মাঠে নামেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী অ্যাডাম আব্বাস। কামাল মৃধার জায়গায় নামানো হয় অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী এহসান মালিককে। তাতেও বাংলাদেশের খেলায় তেমন পরিবর্তন আসেনি। প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি তারা।

বরং পুরো প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ করেছে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে আরও তিন-চারটি গোল করতে পারত দলটি। শেষ পর্যন্ত ১–০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যেতে পারাটাই বাংলাদেশের জন্য কিছুটা স্বস্তির।

প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি বাংলাদেশ

পরিসংখ্যানেও স্পষ্ট উজবেকিস্তানের আধিপত্য। প্রথম ৪৫ মিনিটে প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের দখলে। বাংলাদেশের গোলমুখে তারা শট নিয়েছে ১৫টি। অবশ্য এর মধ্যে ১০টি ছিল নিশানার বাইরে। অন্যদিকে প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণে একই রূপ উজবেকদের। ৪৬ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণ চুরমার করে দারুণ হেডে দ্বিতীয় গোলটিও আদায় করে নেয় তারা; গোল করেন আব্রায়েভ কুবোঞ্চবেক। ম্যাচের বাকি সময় মাঝেমধ্যে আক্রমণে আশা জাগালেও গোল আর পায়নি বাংলাদেশ।

এবারের প্রতিযোগিতায় ৪৪টি দলকে ভাগ করা হয়েছে দুটি স্তরে। নিচের সারির ১২টি দল খেলছে ‘ডেভেলপমেন্ট বিভাগে’। আর চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ে রয়েছে ৩২টি দল।

আগামী বছর মার্চে চীনে হবে মূল পর্ব। সেখানে জায়গা পাবে আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও সেরা সাত রানার্সআপ দল। এই ১৫ দলের সঙ্গে আয়োজক হিসেবে মূল পর্বে সরাসরি থাকবে চীন।