এখনো চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। দলের সঙ্গে আছেন, কিন্তু ব্রাজিলের প্রস্তুতি ম্যাচে খেলতে পারছেন না। অনিশ্চয়তা আছে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামা নিয়েও।
তবে এরপরও নেইমারকে ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশার শেষ নেই। দুই যুগ ধরে বিশ্বকাপ না জেতা ব্রাজিল তাঁর হাত ধরে ষষ্ঠ শিরোপার দেখা পাবে আর তিনি পাবেন ফুটবল ইতিহাসে অমরত্ব, এমন প্রত্যাশা তাদের।
ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার প্রত্যাশা আছে নেইমারেরও। তবে ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড মনে করছেন, ফুটবল ইতিহাসে তাঁর স্থায়ী জায়গা এরই মধ্যে তৈরি হয়ে আছে। ব্রাজিলের ফুটবলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
রেডবুল আল্টিমেট সকার চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, ‘আমি মনে করি ফুটবলে আমার লিগাসি তৈরি হয়ে গেছে। ফুটবলের কথা উঠলে যে কেউই কোনো না কোনোভাবে আমাকে মনে রাখবে। তাই আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমি ইতিহাস গড়তে পেরেছি, ফুটবলের ইতিহাসে নিজের নাম খোদাই করে রেখে যেতে পেরেছি। একদিন আমি আমার সন্তানদের, নাতি-নাতনিদের বলতে পারব, দেশের জন্য আমি কত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছি।’
ফুটবলবিশ্বে তিনি ঠিক কীসের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকতে চান, এমন প্রশ্নে নেইমার বলেছেন, ‘আমি এমন একজন মানুষ, যে মাঠের ভেতরে সব সময় নিজের আসল রূপেই চনমনে থেকেছি। সান্তোস, বার্সেলোনা, পিএসজি বা আল হিলালেই শুধু নয়, প্রতিবার যখনই মাঠে নেমেছি, আমি আমার শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি, বিশেষ করে ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য।’
সান্তোসে খেলা নেইমারকে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে জিজ্ঞেস করলে বলেন, ‘সান্তোসের সঙ্গে আমার এক বছরের চুক্তি আছে। সেটি শেষ করতে চাই। ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে আমি সিদ্ধান্ত নেব কোনটি আমার জন্য ভালো হবে। সেটি নির্ভর করছে আমি মানসিক ও শারীরিকভাবে কেমন অবস্থায় আছি।’