
অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরেছে বাংলাদেশ। এবারের হার চীনের কাছে ২-০ গোলে। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে সাগরিকার ২ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হেরেছিলেন বাংলাদেশের মেয়েরা। সেই হারের শিক্ষা নিয়ে আজ ব্যাংককের মাঠে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল চীন ম্যাচে ভুল কম করা। থাইল্যান্ড ম্যাচের তুলনায় ভুল তুলনামূলক কমই হয়েছে।
গত ২ মার্চ সিডনিতে এশিয়ান কাপ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের জাতীয় দল দারুণ লড়ে ২-০ গোলে হেরেছিল চীনের কাছে। আজও ফল হলো একই।
চাপ, প্রতিরোধ আর শেষ পর্যন্ত ভাঙন—এই গল্পটাই যেন লেখা হলো বাংলাদেশের মেয়েদের ম্যাচে। ম্যাচজুড়ে বারবার চীনের আক্রমণ, কিন্তু দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। ৪৩ মিনিটে পরপর তিনটি সেভ করেন তিনি। সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশও, সাগরিকার শট শেষ মুহূর্তে রুখে দেন চীনের গোলকিপার। গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। খেলা শুরুর দুই মিনিটের মধ্যে গোললাইনের খুব কাছ থেকে ইউ শিন গুয়ে বল ঠেলেন জালে। বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে বল জালে ঠেললে প্রতিরোধের প্রথম ফাটল ধরে। এরপরও লড়াই চলেছে, মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণ হয়েছে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ ছিল চীনের হাতেই। ৭১ মিনিটে আবারও মিলি আক্তারের অসাধারণ সেভ। হেড ঠেকিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচে ফেরার আশা বাঁচিয়ে রাখেন।
কিন্তু ৮২ মিনিটে ওয়াং আইফাংয়ের নিখুঁত ফ্রি–কিক শট জালে জড়ালে স্কোরলাইন ২-০ হয়। বাংলাদেশ গোলকিপার মিলি আক্তার বলে হাত লাগালেও গোল আটকাতে পারেননি। পরপরই তৃতীয় গোল পেতে পারত চীন, যদি বল বার উঁচিয়ে না যেত। শেষদিকে ঝোউ শিনইয়ের শটও সেভ হয়।
অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে টানা দুই ম্যাচ হারের পরও বাংলাদেশ শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে টিকে আছে। বাংলাদেশের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ ভিয়েতনামের সঙ্গে ৭ এপ্রিল। সে ম্যাচে জিতলে সেরা দুটি তৃতীয় দলের একটি হয়ে শেষ আটে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।