পেনাল্টি থেকে আবাহনীর একমাত্র গোলটি করেছেন শেখ মোরছালিন (জার্সি ৭)
পেনাল্টি থেকে আবাহনীর একমাত্র গোলটি করেছেন শেখ মোরছালিন 
(জার্সি ৭)

ফেডারেশন কাপ

ড্রয়ে বিপদ বাড়ল আবাহনীর

আবাহনী ১: ১ রহমতগঞ্জ
ব্রাদার্স ৩: ০ পিডব্লুডি

সর্বশেষ ২০২২ সালে ফেডারেশন কাপ জিতেছিল আবাহনী লিমিটেড। তাদের শোকেসে আছে এই প্রতিযোগিতার এক ডজন ট্রফি।

যদিও গত বছর ফাইনালে বসুন্ধরা কিংসের কাছে হারে আকাশি-নীলরা। এবার তাদের গ্রুপ পর্ব পার করতেই যায় যায় অবস্থা। আজ কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে। এ ড্রই বাড়িয়েছে আবাহনীর বিপদ!

‘এ’ গ্রুপে থাকা আবাহনী তিন ম্যাচ খেলে এক জয়, এক ড্র ও এক হারে ৪ পয়েন্ট জোগাড় করেছে। আপাতত তাদের অবস্থান দ্বিতীয় হলেও পরের রাউন্ডে যাবে কি না, সেটা নির্ভর করছে হাতে থাকা শেষ ম্যাচটির ওপর। আগামী ২৮ এপ্রিল সেই ম্যাচে আবাহনীর প্রতিপক্ষ পিডব্লুডি।

হারলে বিদায়, ড্র বা জয় পেলে অন্যদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। কেননা একই গ্রুপের অন্য তিন দলের মধ্যে পিডব্লুডি ও রহমতগঞ্জের এখনো দুটি করে ম্যাচ বাকি।

এই গ্রুপে তিনে থাকা পিডব্লুডি দুই ম্যাচ খেলে ৩ পয়েন্ট পেয়েছে, চতুর্থ নম্বরের দল রহমতগঞ্জের অর্জন দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট। পাঁচে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স; তারা এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি।

আবাহনীর এবার গ্রুপ পর্ব পার করতেই যায় যায় অবস্থা

প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল যাবে কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে। সে হিসাবে ৩ ম্যাচ থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষ দল ব্রাদার্সের পরের রাউন্ড অনেকটাই নিশ্চিত। তারা আজ কিংস অ্যারেনায় ব্রাদার্স ৩-০ গোলে হারিয়েছে পিডব্লুডিকে। ১৪ এপ্রিল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইয়ংমেন্স।

রহমতগঞ্জের বিপক্ষে আবাহনীর ফরোয়ার্ডরা আক্রমণের পসরা সাজিয়েও লক্ষ্যভেদে বারবারই ব্যর্থ হয়েছে। পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলমুখে ১৭টি শট নিয়েও জালে জড়িয়েছে শুধু একটি; প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোলটি শেখ মোরছালিনের। তার আগে নবম মিনিটে গোল করেন রহমতগঞ্জের আর্নেস্ট বোয়াটেং।

দুই গোলের বাইরে বল দখলেও এগিয়ে ছিল আবাহনী। তবে রহমতগঞ্জ এক গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্রুতই আরেক গোলের সন্ধান শুরু করে। যদিও আবাহনীর জমাট রক্ষণ আর ভাঙতে পারেনি পুরান ঢাকার ক্লাবটি। শেষ দিকে আবাহনীও পূর্ণ ৩ পয়েন্টের আশায় একাধিক আক্রমণ শাণায়। কিন্তু সেই আশা পূরণ তো দূরের কথা, উল্টো একের পর এক লক্ষ্যভ্রষ্ট শট তাদের হতাশাটাই বাড়িয়েছে।