চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে অতিথিরা
চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে অতিথিরা

ডেটাথন প্রতিযোগিতা

চ্যাম্পিয়ন ইন্সটিঙ্কট দল পেল ২ লাখ টাকা

ডেটাবিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলীদের নিয়ে আয়োজিত ডেটাথন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘ইন্সটিঙ্কট’। পুরস্কার হিসেবে দুই লাখ টাকা পেয়েছে দলটি। প্রতিযোগিতায় প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে যথাক্রমে ‘নাম্পি’ ও ‘ভাইকিং রাইডার্স’। যথাক্রমে দেড় লাখ ও এক লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছে দলগুলো। সেরা ডেটা প্রকৌশলী হয়েছেন নুরেন শামস ও ইয়ামিনুর রহমান। সেরা ডেটাবিজ্ঞানী হয়েছেন আবদুল বাসিত ও পার্থ ঘোষ। প্রত্যেক বিজয়ী পেয়েছেন এক লাখ টাকা পুরস্কার।

আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পাশাপাশি এ পুরস্কার দেওয়া হয়। মুঠোফোন সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠান রবি আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ২ হাজার ৮০০–এর বেশি প্রতিযোগী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন সব ক্ষেত্রেই প্রযুক্তিগত সুবিধা পাচ্ছেন। বর্তমানে সরকার দেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ জন্য তরুণদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যত বেশি ডেটাথন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, তত বেশি শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর বাস্তব জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আরও বেশি প্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য শিক্ষাক্রমে প্রযুক্তি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশে অনেক ডেটা সেন্টার (তথ্যকেন্দ্র) থাকলেও আমরা তথ্যগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছি না। এ জন্য ডেটাথনের মাধ্যমে আমাদের দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যান জুনফেং প্রমুখ।

আয়োজন সম্পর্কে রবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী এবং প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মো. রিয়াজ রশীদ বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা যে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলছি। এর জন্য প্রয়োজন হবে দক্ষ ডেটাবিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলী। আর তাই ডেটাথন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত।’

আয়োজনের শুরুতে ‘ডেটা সায়েন্স ফর স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রবির প্রধান করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি কর্মকর্তা সাহেদ আলম।