দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবাকে আরও সহজলভ্য করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আম্বার আইটি লিমিটেড। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার পাশাপাশি এবার সারা দেশে আম্বার আইটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বিনা মূল্যে ‘ওয়াই-ফাই জোন’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব জোনে আম্বার আইটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বিনা মূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এরই মধ্যে দেশের পাঁচটি জায়গায় ওয়াই-ফাই জোন চালুর মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে দেশজুড়ে মোট ৫০০টি ওয়াই-ফাই জোন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে আম্বার আইটির। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও জনাকীর্ণ স্থানসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত এলাকায় ধাপে ধাপে এসব ওয়াই-ফাই জোন স্থাপন করা হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করেই এসব পয়েন্ট পরিচালনা করা হবে। সাধারণত ফার্মেসি, চায়ের দোকান, মুদিদোকানসহ স্থানীয় ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই পয়েন্টগুলো গড়ে তোলা হবে।
আম্বার আইটি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল হাকিম বলেন, ‘সারা দেশে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। ওয়াই-ফাই জোন উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ খুব সহজে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্যও এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।’
আম্বার আইটির বিদ্যমান গ্রাহকেরা যে মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন করেছেন, সেই নম্বর ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ওয়াই-ফাই জোনে সংযোগ নিয়ে বিনা মূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে যাঁরা আম্বার আইটির গ্রাহক নন, তাঁরাও কুপন কার্ড কিনে সহজেই এ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এসব ওয়াই-ফাই পয়েন্টে বিভিন্ন মেয়াদের কুপন কার্ড পাওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ ঘণ্টার জন্য ৮ টাকা, ১ দিনের জন্য ১২ টাকা, ৭ দিনের জন্য ৬৬ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ২০০ টাকার প্যাকেজ। কুপন কার্ডে দেওয়া কোড ব্যবহার করে গ্রাহকেরা সহজেই ইন্টারনেটে সংযুক্ত হতে পারবেন।
এরই মধ্যে বরিশালের বিবির পুকুরপাড়, ভোলার চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকা, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন, সিরাজগঞ্জের শিয়ালকোল কলেজ রোড এবং নীলফামারী জেলার ইপিজেড মোড়ে এলাকায় ওয়াই-ফাই জোন চালু করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চলতি মাসের মধ্যে দেশের আরও অন্তত ১৫টি স্থানে নতুন ওয়াই-ফাই জোন চালু করা হবে।