স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কম্পাউন্ড থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি উড়ছে। তেহরান, ইরান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কম্পাউন্ড থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি উড়ছে। তেহরান, ইরান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

খামেনিকে হত্যায় ‘৩০টি বোমা’ ফেলা হয়

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কম্পাউন্ড নিশানা করে ‘৩০টি বোমা’ ফেলা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো খামেনির কম্পাউন্ডে ৩০টি বোমা ফেলে। বোমার আঘাতে কম্পাউন্ডটি জ্বলেপুড়ে যায়। বিধ্বস্ত হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনেও একই কথা বলা হয়। বিবিসি বলছে, স্থানীয় সময় গত শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে খামেনির কম্পাউন্ডে হামলা হয়। হামলায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ৩০টি বোমা ব্যবহার করে।

শনিবার সকালে ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এদিন সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলের একটি কম্পাউন্ডে চালানো হামলায় খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তার আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য পায়। সিআইএ জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপ্লেক্সে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে। এই বৈঠকে খামেনিও থাকবেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

সিআইএ এই তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ইসরায়েলকে জানিয়ে দেয়। নতুন এই গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার সময়সূচি বদলে ফেলে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অভিযানে একটি কর্মবণ্টন থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে মনোযোগী ইসরায়েল। আর যুক্তরাষ্ট্র প্রধানত ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হামলা করছে।