
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন এমকিউ–৪সি আজ শুক্রবার হরমুজ প্রণালির ওপর নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে, নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে প্রায় তিন ঘণ্টার নজরদারি শেষ করে ইতালির ‘নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেলা’ ঘাঁটিতে ফিরে আসছিল। এটি যখন ‘কোড ৭৭০০’ (সাধারণ জরুরি অবস্থার সংকেত) পাঠিয়েছে ও নিচে নামতে শুরু করেছে, তখন এটি ইরানের দিকে সামান্য মোড় নিয়েছিল।
চালকবিহীন এই বিমান নিখোঁজ হওয়ার আগে দ্রুত উচ্চতা হারাচ্ছিল বলে শনাক্ত করা হয়। ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে, নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঠিক দুই দিন পর এই ড্রোন নিখোঁজের ঘটনা ঘটল। ওই চুক্তিতে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথ আবার খুলে দিতে রাজি হয়েছিল।
এমকিউ-৪সি ট্রাইটন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দামি ড্রোন বিমানগুলোর একটি, যার মূল্য ২০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি।
প্রথাগত বিমানের তুলনায় ট্রাইটন গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোয় দীর্ঘ সময় ধরে কৌশলগত নজরদারি চালাতে পারে। এটি বিশাল এলাকাজুড়ে একটানা সামুদ্রিক নজরদারির জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রায়ই পি-৮এ পসিডন টহল বিমানের জন্য ‘আকাশের চোখ’ হিসেবে কাজ করে। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় এসব ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে।