লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ৮ এপ্রিল ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার পর উদ্ধারকাজ চলছে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ৮ এপ্রিল ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার পর উদ্ধারকাজ চলছে

লেবাননের সঙ্গে আলোচনায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলবে না ইসরায়েল

লেবানন সরকারের সঙ্গে আলোচনায় ‘হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি’ নিয়ে কোনো আলোচনা করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা আসে।

আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে লেবানন সরকারের সঙ্গে এ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতেরা নিজেদের মধ্যে কথা বলেছেন।

ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার বলেছেন, লেবানন সরকারের সঙ্গে ‘আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা’ শুরু করতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। লেবাননের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

এক বিবৃতিতে লেইটার বলেন, ‘হিজবুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠনের’ সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে আলোচনা করতে ইসরায়েল অস্বীকার করেছে। তারা (হিজবুল্লাহ) ক্রমাগত ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দুই দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনের পথে তারাই প্রধান বাধা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের ভেতরে রকেট ছোড়ে ইরান-সমর্থিত শিয়া মুসলিম গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এর জবাবে লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।

ইসরায়েল স্পষ্ট করে বলেছে, ইসলামাবাদে শনিবার শুরু হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনায় যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা হবে, তার আওতায় লেবানন পড়বে না।

লেবানন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহের এই শত্রুতার জেরে দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পূর্ণ দিবস বুধবারেই ইসরায়েলি হামলায় ৩৫০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।