যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের ২,৪০০ কোটি ডলারের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করতে রাজি হয়েছেন ট্রাম্প

ইরানের জব্দকৃত ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের সম্পদ ছাড় করতে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করাকে এড়িয়ে গেছেন। গত শুক্রবার একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাতে ফার্স নিউজ এজেন্সি এ খবর দিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মহসেন রেজাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর দেজফুলে অনুষ্ঠিত একটি স্মরণসভায় এ মন্তব্য করেছেন।

ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের খবর অনুযায়ী, রেজাই বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক সংঘাত তেহরানের বৈশ্বিক অবস্থানকে ‘শক্তিশালী’ করেছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের প্রতিরোধক্ষমতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ‘জুয়াড়ি ট্রাম্প’ এখন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ভয় পান।

ইরানের প্রতিরোধক্ষমতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ‘জুয়াড়ি ট্রাম্প’ এখন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ভয় পান।
মহসেন রেজাই, মোজতবা আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে ইসরায়েলের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে বলেও দাবি করেন রেজাই। তাঁর মতে, (যুক্তরাষ্ট্রের) সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী মহলে লবিংয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘জায়নিস্ট শাসনের’ একটি ‘উপনিবেশে’ পরিণত হয়েছে।

মহসেন রেজাই। বর্তমানে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন

রেজাইর এ মন্তব্যের আগে গত শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত একটি সমঝোতা স্মারক সব যুদ্ধক্ষেত্রে সংঘাতের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটাবে, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত। এ সমঝোতা স্মারক ইরানের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ নিয়ে আলোচনার পথও প্রশস্ত করবে।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শুক্রবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এ চুক্তির মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বিলুপ্ত করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।