মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবাহিনী সবচেয়ে শক্তিশালী
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবাহিনী সবচেয়ে শক্তিশালী

এক্সপ্লেইনার

ইরানে ‘গোপন হামলা’—সৌদি আরব ও আমিরাতের ‘নীরব যুদ্ধের’ ভবিষ্যৎ কী

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার সময় মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রতিবেশী দেশ আরব আমিরাত ও সৌদি আরব গোপনে ইরানে একাধিকবার হামলা চালিয়েছিল। বিশ্লেষকদের ধারণা, উপসাগরীয় দেশগুলোর বিভিন্ন অবকাঠামোয় তেহরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ওই হামলা চালানো হয়েছিল; যদিও এ বিষয়ে কোনো দেশই নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি।

এ সপ্তাহের শুরুর দিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে অন্তত দুটি উপসাগরীয় রাষ্ট্র ‘গোপনে’ দেশটিতে বোমা হামলা চালিয়েছিল।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গত সোমবার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত এপ্রিলের শুরুর দিকে ইরানের কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। পারস্য উপসাগরের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগারও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।

পরে গত মঙ্গলবার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ইরানি কর্মকর্তা ও দুই পশ্চিমা কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সৌদি আরবও মার্চের শেষের দিকে ইরানে ‘অসংখ্য’ বিমান হামলা চালিয়েছিল।

হামলার দাবি কতটা সত্য

যদি হামলার এসব দাবি সত্য হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই সংঘাতে আরও বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন, তেহরান, রিয়াদ বা আবুধাবি—কোনো পক্ষ থেকেই এ নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হামলাগুলো সত্যি হয়ে থাকলে এটিই হবে প্রথম কোনো দুই উপসাগরীয় দেশের সরাসরি ইরানে হামলার ঘটনা।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথের পোর্টসমাউথ মিলিটারি এডুকেশন টিমের উপপরিচালক ভেরোনিকা হিনম্যান বলেন, ‘আমিরাতের চালানো হামলার ক্ষেত্রে এমন কিছু ছবি রয়েছে, যা দেশটির সামরিক সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে বলে আমার মনে হয়।’

সম্প্রতি কিছু স্বাধীন সামরিক বিশ্লেষক ইরানের আকাশে ফরাসি যুদ্ধবিমান মিরাজ এবং চীনা ড্রোন উইং লুং ওড়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শনাক্ত করেছেন। আমিরাত দুটি সমরাস্ত্রই ব্যবহার করে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ হাজার ৮০০ বারের বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার সংখ্যার চেয়েও বেশি।

‘রিয়াদ ও আবুধাবি ইরানে এমন হামলা চালাতে সক্ষম কি না, এটা বিচার করতে প্রথমে আমাদের নিজেদের জিজ্ঞাসা করতে হবে, তারা সামরিকভাবে এটি করার সক্ষমতা রাখে কি না,’ বলেন ইন্টারন্যাশনাল টিম ফর দ্য স্টাডি অব সিকিউরিটি ভেরোনার ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতবিষয়ক বিশেষজ্ঞ শাহিন মোদাররেস। তিনি নিজেই এ প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘নিঃসন্দেহে হ্যাঁ।’

শাহিন মোদাররেস বলেন, ‘এ দুই দেশের (সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত) কাছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক ও সুসজ্জিত বিমানবাহিনী রয়েছে। ইরানের অবকাঠামোর ওপর নির্ভুল হামলা চালানোর সক্ষমতাও তাদের আছে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।’

ইরানের হামলার পর জেবেল আলী বন্দর থেকে ধোঁয়া উড়ছে। দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ১ মার্চ ২০২৬

কিন্তু এখানে প্রশ্ন, দেশ দুটি কি এটি করার রাজনৈতিক ইচ্ছা রাখে? উভয় দেশই বলেছে, যুদ্ধ শুরুর আগে তারা ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করার অনুমতি দেয়নি। এটা ইঙ্গিত দেয়, তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়া এড়াতে একজোট হয়েই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

সৌদি আরব ও আরব আমিরাত—দুই দেশের কাছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক ও সুসজ্জিত বিমানবাহিনী রয়েছে। ইরানের অবকাঠামোয় নির্ভুল হামলা চালানোর সক্ষমতাও তাদের আছে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।
শাহিন মোদাররেস, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতবিষয়ক বিশেষজ্ঞ

তেহরানকে সতর্ক করতে হামলা হতে পারে কি

যুদ্ধ চলাকালে তেহরান উভয় দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তেহরানের লক্ষ্য ছিল ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের খরচ বাড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে উপসাগরীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের গড়ে তোলা ‘নিরাপদ আশ্রয়’ ভাবমূর্তি ভেঙে দেওয়া।

হিনম্যান বলেন, ‘(ইরানের হামলায়) সৌদি আরবও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আর কোনো দেশ এত বেশিবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়নি।’

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালে ইরান আরব আমিরাতে ২ হাজার ৮০০ বারের বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার সংখ্যার চেয়েও বেশি।

ইরান কি সীমা অতিক্রম করেছে

যদি এ প্রতিবেদনগুলো সত্য হয়, তবে সৌদি আরব ও আমিরাতের হামলার লক্ষ্য ছিল ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের জন্য একটি কঠোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করা—এমনটাই বলেছেন কিংস কলেজ লন্ডনের স্কুল অব সিকিউরিটি স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ।

আন্দ্রেয়াস ক্রিগ বলেন, ‘যদি ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অবকাঠামোর ক্ষতি করতে পারে, তবে এসব দেশও ইরানের অভ্যন্তরে ক্ষতি করতে সক্ষম।’

তাই সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তেহরানের কাছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত না–ও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ শাহিন মোদাররেস বলেন, ‘আরব আমিরাত আরও বেশি আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেছে। দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করে বলেছে, তারা আত্মরক্ষার অধিকার রাখে। বাস্তবে দেশটি ইসরায়েলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে।’

আরব আমিরাতের ওপর তেহরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় ইসরায়েল সেগুলো প্রতিহত করতে সহায়তার জন্য দেশটিকে তাদের আকাশসুরক্ষাব্যবস্থা আয়রন ডোম দিয়েছে। শুধু তা–ই নয়, সেগুলো ব্যবহারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীও আমিরাতে পাঠিয়েছে।

ইরানও কঠিন দ্বিধার মুখে রয়েছে—যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং আবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়, তবে কি তেহরান পুরো অঞ্চলে বিমান হামলা চালানোর একই কৌশল অনুসরণ করতে পারবে?

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধ চলাকালে আমিরাত সফর করেছিলেন বলে গত বুধবার তাঁর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। দুই দেশ নিজেদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও জোরদার করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

আমিরাত অবশ্য নেতানিয়াহুর সফরের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২০২০ সালে হওয়া আব্রাহাম চুক্তির অংশ হিসেবে আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে।

আবুধাবির বক্তব্যে তেহরান পুরোপুরি আশ্বস্ত নয় বলে মনে হচ্ছে। ভারতে গত বৃহস্পতিবার ব্রিকস সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আবুধাবির তীব্র সমালোচনা করেন এবং আরব আমিরাতকে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি আগ্রাসনের সক্রিয় অংশীদার’ বলে অভিযুক্ত করেন।

আরাগচি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, আমার দেশের বিরুদ্ধে সংঘটিত এ আগ্রাসনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরাসরি জড়িত ছিল। যখন এ আগ্রাসন শুরু হয়েছিল, তারা এমনকি এর নিন্দা করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।’

ক্রিগ বলেন, ‘অন্যদিকে সৌদি আরব অনেক বেশি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। তারা পাকিস্তান, ওমান ও কাতারের মাধ্যমে কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ বেছে নিয়েছে। ইসরায়েলের সঙ্গে একযোগে কোনো যুদ্ধে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তাদের একেবারেই নেই, সেটাও স্পষ্ট করেছে।’

গোপন হামলা কতটা সত্য

হিনম্যান বলেন, বিভিন্ন কারণেই সৌদি ও আমিরাতের সামরিক অভিযানগুলো অত্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এর মূল লক্ষ্য ছিল হামলাগুলো যেন খুব বেশি উত্তেজনা বৃদ্ধির দিকে না গড়ায়, তা নিশ্চিত করা।’

ক্রিগ বলেন, ‘গোপনে এসব হামলা চালিয়ে সৌদি আরব ইরানকে প্রকাশ্যে অপমান করতে চায়নি। কারণ, তাতে সম্ভবত তেহরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি মূলত ইরানি কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে দেওয়া একটি বার্তা। পুরো দেশের জন্য নয়, বরং কর্তৃপক্ষের জানা প্রয়োজন হামলাটি কোথা থেকে হয়েছে।’

ক্রিগ বলেন, আরব আমিরাতের কাছে হামলার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করার আরও বেশি কারণ ছিল। তিনি বলেন, ‘তারা চায় না এ হামলাগুলো ইরানের সেই প্রচারণা আরও জোরালো করুক, যেখানে আমিরাতকে ইসরায়েলের আরব মিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।’

এদিকে ইরানও একই ধরনের কঠিন দ্বিধার মুখে রয়েছে—যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং আবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়, তবে কি তেহরান পুরো অঞ্চলে হামলা চালানোর একই কৌশল অনুসরণ করতে পারবে?

ক্রিগ বলেন, ইরানি কর্তৃপক্ষকে এখন উপসাগরীয় দেশগুলোর সরাসরি পাল্টা প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনার কথাও বিবেচনায় নিতে হবে।

মোদাররেস বলেন, এমন পরিস্থিতি তেহরানের জন্য সামরিকভাবে বিপজ্জনক হতে পারে। এমনকি তাদের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। তিনি বলেন, ‘ইরানের সরকারি অবস্থান হলো, তারা যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসী যুদ্ধের শিকার। যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর আরও প্রকাশ্য সম্পৃক্ততা তাদের এ অবস্থানকে দুর্বল করবে।’

একই সঙ্গে এটি (ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ান) উপসাগরীয় দেশগুলোর নিজেদের জন্যও সমানভাবে ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত হতে পারে।

সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ইরানের হামলার পর কালো ধোঁয়া উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

ক্রিগ বলেন, ‘যে মুহূর্তে তারা (সৌদি আরব ও আরব আমিরাত) ইরানের ভেতরে বোমা হামলা শুরু করেছে, তখনই প্রতিরক্ষামূলক হামলা ও সংঘাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে গেছে।’ এ ক্ষেত্রে আরব আমিরাত বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

ক্রিগ আরও বলেন, ‘ইরান আবুধাবিকে বেশি হুমকি হিসেবে দেখে তাদের কূটনৈতিক অবস্থানের কারণে। আবুধাবি এরই মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছে।’

ইরানে সৌদি আরব ও আমিরাতের হামলাগুলো প্রকৃতই হয়েছিল বলে যদি নিশ্চিত হয়, তবে ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে এর প্রভাব বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

হিনম্যান বলেন, ‘অতীতে ফিরে গিয়ে যেন কিছু্ই ঘটেনি এমনভাবে আবার আলোচনা শুরু করা কঠিন হবে।’

মোদাররেস বলেন, ‘আমরা সম্ভবত আরও একটি প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে দেখছি, যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভেতর সব সময় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা জোরালো হচ্ছে।’

অন্যভাবে বলতে গেলে, স্বল্প মেয়াদে ওয়াশিংটন হয়তো এটা দেখে খুশি হবে যে তাদের আঞ্চলিক মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু এ হামলাগুলো একই সঙ্গে একটি সতর্ক সংকেতও হতে পারে। সেটা হলো, উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন সুরক্ষাবলয় থেকে নিজেদের বের করে নেওয়ার চেষ্টা করছে।