- যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে
- হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটক আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: জোহরান মামদানি
- অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান চীনের
- নিকোলা মাদুরোকে সুরক্ষিত দুর্গ থেকে আটক করা হয়: ট্রাম্প
- ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
- পরিস্থিতি ‘দ্রুত স্পষ্ট’ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান রাশিয়ার
- ট্রাম্প কয়েকদিন আগে মাদুরোকে আটক করার অনুমোদন দেন
- ভেনেজুয়েলার সরকারের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান মাদুরোর সহযোগীর
- নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা আছে
- যে অজুহাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা, তা গ্রহণযোগ্য নয়: রাশিয়া
- মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে, তাঁর বিচার হবে: রুবিওর বরাতে মার্কিন সিনেটরের দাবি
- ঐক্যবদ্ধভাবে এই হামলা প্রতিরোধ করার ঘোষণা ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
- ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা কার হাতে যাবে স্পষ্ট নয়
- এটি ছিল একটি চমৎকার অভিযান: ট্রাম্প
- মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স আটক করেছে: সিবিএস
নিউইয়র্কে মাদুরো, রাখা হবে ব্রুকলিনের কুখ্যাত কারাগারে
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে কড়া নিরাপত্তায় ব্রুকলিনের বন্দিশিবিরে (মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে) নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখান থেকেই তাঁকে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে করা মামলায় ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার বিকেলে নিউইয়র্কের বিমানঘাঁটিতে নামার পর মাদুরোকে হেলিকপ্টারে করে ম্যানহাটনের ওয়েস্টসাইড হেলিপোর্টে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে মার্কিন মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ডিইএ) সদর দপ্তরে নিয়ে প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা। এরপরই তাঁর পরবর্তী গন্তব্য হতে যাচ্ছে ব্রুকলিনের বন্দিশিবির।
নিউইয়র্কের এই কুখ্যাত কারাগারটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দীদের রাখার জন্য পরিচিত। এর আগে পপ তারকা আর কেলি, যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সহযোগী গিলেন ম্যাক্সওয়েল এবং সম্প্রতি র্যাপার শন ‘ডিডি’ কম্বসকে এই কারাগারেই রাখা হয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি
ভেনেজুয়েলা কোনো দেশের উপনিবেশ হবে না: ভাইস প্রেসিডেন্ট
প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটকের ঘটনা ভেনেজুয়েলার মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিসাৎ করার একটি অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। শনিবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে তিনি বলেন, তাঁর দেশ কখনোই কোনো দেশের উপনিবেশ হবে না।
ভেনেজুয়েলার পতাকাকে পেছনে রেখে দেওয়া ওই ভাষণে ডেলসি রদ্রিগেজ সতর্ক করে বলেন, আজ ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যা ঘটেছে, বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে তা ঘটতে পারে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে বেআইনি কর্মকাণ্ড ও শক্তির অপব্যবহার বলে বর্ণনা করেন।
মাদুরোকে আটকের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার মানুষ ধৈর্যশীল। আমরা শান্তি ও স্থৈর্যের মধ্য দিয়েই আমাদের সামনের পথ খুঁজে নেব।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির সরাসরি বিরোধিতা করে রদ্রিগেজ বলেন, ‘যাঁরা শক্তির ব্যবহার করেছেন এবং বেআইনি পথ বেছে নিয়েছেন, সত্য তাঁদের পক্ষে নেই।’
এর আগে শনিবার ভোরে রাজধানী কারাকাসে এক ঝটিকা অভিযানে নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ডেলসি রদ্রিগেজ তাঁদের চাওয়া অনুযায়ী কাজ করতে রাজি হয়েছেন। তবে রদ্রিগেজের এই কঠোর ভাষণ ট্রাম্পের দাবিকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
সূত্র: আল–জাজিরা
ভাইস প্রেসিডেন্ট ‘কথা শুনলে’ ভেনেজুয়েলায় সেনা পাঠাবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুযায়ী কাজ করলে দেশটিতে সেনা মোতায়েন করবে না যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্ক পোস্টের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটকের পর দেশটি বর্তমানে কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, ডেলসি রদ্রিগেজ যদি যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুযায়ী কাজ করেন, তবে সেখানে সরাসরি মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন পড়বে না।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা তাঁর (রদ্রিগেজ) সঙ্গে বহুবার কথা বলেছি এবং তিনি বুঝতে পারছেন।’ এর আগে ট্রাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, ডেলসি রদ্রিগেজ এরই মধ্যে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কাজ করতে রাজি হয়েছেন।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। মাদুরোর কট্টর অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই নেত্রী ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে মাদুরোকে ‘একমাত্র বৈধ প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
তুলে নেওয়ার ১৫ ঘণ্টা পর নিউইয়র্কে মাদুরো
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে বহনকারী উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত স্টুয়ার্ট এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় শনিবার বিকেল ৫টার দিকে উড়োজাহাজটি ওই বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে ওই উড়োজাহাজের দরজায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা-এফবিআই’র ইউনিফর্ম পরিহিত কর্মকর্তাদের দেখা যায়। এরপর উড়োজাহাজটি থেকে মাদুরো বের হয়ে আসেন। ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস তুলে নেওয়ার ১৫ ঘণ্টা পর তাঁকে নিউইয়র্কে দেখা গেল।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালে মাদুরোর বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে কোকেন আমদানির ষড়যন্ত্র এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগে মামলা করা হয়।
সূত্র: বিবিসি ও আল–জাজিরা
‘মাদুরোকে বহনকারী উড়োজাহাজ নিউইয়র্কে’
নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত স্টুয়ার্ট বিমান ঘাঁটিতে একটি উড়োজাহাজ অবতরণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই উড়োজাহাজে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো রয়েছেন।
উড়োজাহাজটির দরজার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা–এফবিআই’র ইউনিফর্ম পরিহিত কর্মকর্তাদের দেখা গেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল–জাজিরা এ কথা জানিয়েছে।
এদিকে নিকোলা মাদুরোকে বহনকারী উড়োজাহাজ নিউইয়র্কে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সও।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে শনিবার দেশটির রাজধানীর কারকাসের একটি সুরক্ষিত দুর্গ থেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রে আনা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, তাঁর দেশ ভেনেজুয়েলা ‘চালাবে’। শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এই কাজ করবে।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। যুদ্ধবিরোধী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড–ব্যনার নিয়ে নেমেছে সাধারণ মানুষ। কারও কারও হাতে ভেনেজুয়েলার পতাকাও দেখা গেছে।
ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, বোস্টন, মিনেপোলিসসহ বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন
হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটক আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: জোহরান মামদানি
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটকের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।
নতুন বছরের প্রথম দিন নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নেন জোহরান। নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, জোহরান মামদানি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেন্সকে আটক করার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটা যুদ্ধের মতো একটা কাজ। একই সঙ্গে দেশের ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলায় হামলা অবৈধ: নিউইয়র্ক টাইমস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলায় হামলা চালনোকে অবৈধ ও অপরিণামদর্শী কাজ বলে উল্লেখ করেছে নিউইয়র্ক টাইমসের এডিটরিয়াল বোর্ড। শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের অনলাইন সংস্করণে পত্রিকাটির এই মত তুলে ধরা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। পরে ট্রাম্প জানান, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন জাহাজে করে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, মাদুরোর বিচার করা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এডিটরিয়াল বোর্ড মনে করে, ভেনেজুয়েলায় এই হামলার ফলে দেশটির জনগণের কষ্ট বাড়বে, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বাড়বে এবং বিশ্বজুড়ে মার্কিন স্বার্থের স্থায়ী ক্ষতি হবে।
মাদুরোকে হত্যা করতে পারত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী রাতভর অভিযানের সময় প্রয়োজন হলে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলা মাদুরোকে হত্যা করতে পারত।
ফ্লোরিডায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এটি (মাদুরোকে হত্যা) ঘটতে পারত। তিনি (মাদুরো) নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেই নিরাপদ স্থানটি পুরো স্টিলের। কিন্তু মার্কিন বাহিনীর সদস্যরা এত ক্ষিপ্র যে মাদুরো দরজায় পৌঁছাতে পারেননি।
আটক প্রেসিডেন্ট মাদুরোর ছবি প্রকাশ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর ছবি প্রকাশ করছেনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সিএনএনের খবরে বলা হয়, কিছুক্ষণ আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মাদুরোর ছবি প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মাদুরোকে মার্কিন জাহাজ ইউএসএস আইয়ো জিমায় দেখা যায়।
ছবিতে দেখা যায়, ধূসর রঙের পোশাক পরা মাদুরো হাতে একটি পানির বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
মাদুরোর চোখ কালো রঙের আবরণে ঢাকা এবং তাঁর কানে বড় আকারের হেডফোনের মতো কিছু পরানো রয়েছে। ছবিতে তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে দেখা যায়নি; ফলে মাদুরো তাঁর কাছাকাছি আছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ফ্লোরিডায় সংবাদ সম্মেলন শুরু করার একটু আগে ট্রাম্প আটক মাদুরোর ছবি ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করলেন।
ভেনেজুয়েলা অভিযানকে ট্রাম্প বললেন, যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর ও শক্তিশালী হামলার চমকপ্রদ প্রদর্শনী
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কার্যকর এবং সামরিক ক্ষমতা ও দক্ষতার শক্তিশালী চমকপ্রদ প্রদর্শনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফ্লোরিডায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শনিবার যা অর্জন করেছে, বিশ্বের কোনো দেশই তা করতে পারত না। খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে এটা করা সম্ভব হয়েছে। ভেনেজুয়েলার সামরিক সক্ষমতাকে অক্ষম করা হয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, অভিযানে একজন আমেরিকানও নিহত হয়নি, এবং কোনো আমেরিকান সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতি হয়নি। বহু হেলিকপ্টার, বিমান এবং অসংখ্য মানুষ এই অভিযানে যুক্ত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে মাদুরোর বিচার হবে: ট্রাম্প
মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, মাদুরোর বিরুদ্ধে অপরাধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের কাছে অনেক ‘জোরালো প্রমাণ’ রয়েছে। তিনি বলেন, এটি (মাদুরোর অপরাধ) একদিকে ভয়াবহ, অন্যদিকে হতবাক করে দেওয়ার মতো।
‘শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর’ না হওয়া পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ‘চালাবে’। তিনি বলেন, ‘নিরাপদ, সঠিক ও বিচক্ষণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্ভব না হওয়া পর্যন্ত আমরা দেশটি পরিচালনা করব।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাই না, অন্য কেউ ক্ষমতায় এসে আবার সেই একই পরিস্থিতির সৃষ্টি করুক, যা দীর্ঘ সময় ধরে আমরা দেখে আসছি।’
প্রয়োজনে ভেনেজুয়েলায় দ্বিতীয় দফায় ‘আরও বড় হামলা’: ট্রাম্প
প্রয়োজন হলে ভেনেজুয়েলায় দ্বিতীয় দফায় ‘আরও অনেক বড় হামলা’ চালাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তবে ট্রাম্প বলেন, প্রথম অভিযানের ‘সাফল্য’ বিবেচনায় এনে দ্বিতীয় হামলার প্রয়োজন নাও হতে পারে।
ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমরা আসলে ধরেই নিয়েছিলাম যে দ্বিতীয় একটি ধাপ প্রয়োজন হবে, কিন্তু সম্ভবত তা লাগবে না। প্রথম হামলাটি এতটাই সফল ছিল যে আমাদের হয়তো দ্বিতীয়টি চালাতে হবে না।’
সূত্র: আল জাজিরা
অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান চীনের
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছে চীন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘন বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক্স-এ পোস্ট করা বিবৃতিতে বলেন, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য শক্তি প্রয়োগ এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের (নিকোলা মাদুরো) বিরুদ্ধে পদক্ষেপে চীন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বেইজিং এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এই আধিপত্যবাদী কর্মকাণ্ডগুলো আন্তর্জাতিক আইন এবং ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বকে গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করে; এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে। চীন দৃঢ়ভাবে এর বিরোধিতা করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন প্রতি সম্মান দেখাতে এবং অন্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘন বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায় চীন।
সূত্র: সিএনএন
নিকোলা মাদুরোকে সুরক্ষিত দুর্গ থেকে আটক করা হয়: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে একটি সুরক্ষিত দুর্গ থেকে আটক করা হয়েছে।
মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করার সময় কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তাঁরা (মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী) ফিরে এসেছেন, তাঁদের পরিস্থিতি ভালো থাকার কথা।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে ‘গতি’ ও ‘ধ্বংস’ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যেন টেলিভিশনে কোনো শো দেখছিলেন।
সূত্র: আল জাজিরা
ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা, সবচেয়ে বড়, অসাধারণ তেল কোম্পানি আছে। আমরা এতে (ভেনেজুয়েলার তেলশিল্প) অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকব।’
সূত্র: আল জাজিরা
মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মার্কিন জাহাজে করে নিউইয়র্কে নেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় আজ শনিবার সকালে ফক্স নিউজকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন জাহাজ ইউএসএস আইয়ো জিমায় নিউইয়র্কের পথে আছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘হেলিকপ্টারে করে তাদের জাহাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সুন্দর একটি ফ্লাইটে গেছেন—আমি নিশ্চিত তাঁরা এটি উপভোগ করেছেন। তবে তাঁরা অনেক মানুষ হত্যা করেছেন, এটা মনে রাখতে হবে।’
মাদুরোকে কী বিকল্প দেওয়া হয়েছিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্প বলেন, ‘মূলত আমি বলেছিলাম, আপনাকে হার মানতে হবে। আত্মসমর্পণ করতে হবে।’
এক সপ্তাহ আগে মাদুরোর সঙ্গে কথা বলেছেন জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি (মাদুরোর সঙ্গে কথা বলা) একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সংকেত ছিল। ...আমি নিজেই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি, আমি বলেছিলাম, হার মানতে হবে। আত্মসমর্পণ করতে হবে।’
মাদুরো এখনো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিল
নিকোলা মাদুরো এখনো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল।
ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে—স্থানীয় সময় শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন।
এরপর নিকোলা মাদুরোর স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল মন্তব্য করলেন, নিকোলা মাদুরোই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট।
সিএনএনের খবরে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিল বলেন, সংবিধানে সুস্পষ্ট বলা আছে, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট, সংবিধানমতে প্রেসিডেন্ট হলেন নিকোলা মাদুরো। যুক্তরাষ্ট্রকে ভেনেজুয়েলার মাটিতে মাদুরোর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, কারণ এটি (প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে যাওয়া) আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
পরিস্থিতি ‘দ্রুত স্পষ্ট’ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান রাশিয়ার
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি ‘দ্রুত স্পষ্ট’ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর রাশিয়া ওই আহ্বান জানাল।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী অভিযানের সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে সে দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে—এটি অত্যন্ত উদ্বেগের। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা এই পরিস্থিতি দ্রুত স্পষ্ট করার আহ্বান জানাই।’
রাশিয়া জানিয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপ সত্য হলে, তা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অগ্রহণযোগ্য লঙ্ঘন। আন্তর্জাতিক আইনের মূল নীতিকে সম্মান জানানো উচিত।
ট্রাম্প কয়েকদিন আগে মাদুরোকে আটক করার অনুমোদন দেন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন আগে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করার অনুমোদন দিয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স এই অভিযান চালাবে—সেই অনুমোদনও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এই বিষয়ে ওয়াকিবহাল একজন ব্যক্তি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ কথা জানিয়েছেন।
মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) প্রেসিডেন্ট মাদুরোর অবস্থান ট্র্যাক করছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েক মাস আগে ভেনেজুয়েলায় গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমতি দিয়েছিলেন সিআইএকে।
যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া মামলার বিচার করার জন্য মাদুরোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ওয়াকিবহাল ওই ব্যক্তি। তবে মাদুরো এখন ঠিক কোথায় আছেন, স্থানীয় সময় শনিবার সকাল পর্যন্ত তা স্পষ্ট ছিল না।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে যুক্তরাজ্য জড়িত নয়: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে যুক্তরাজ্য জড়িত নয়। তবে এই হামলার বিষয়ে মন্তব্য করার আগে তিনি এ বিষয়ে আরও তথ্য জানতে চান।
বিবিসির খবরে বলা হয়, স্টারমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভেনেজুয়ােলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো আটক হওয়ার বিষয়ে তিনি এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেননি।
যুক্তরাজ্যের সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর জন্য রেকর্ড করা বক্তব্যে স্টারসার বলেন, বিষয়টি (হামলা পরিস্থিতি) খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই সব তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করবেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি এটুকু বলতে পারি যে, এই অভিযানে যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিল না।’
ভেনেজুয়েলায় হামলা: কী জানা গেল, কী অজানা
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা নিয়ে এখন পর্যন্ত কী জানা গেল এবং কী অজানা, তা তুলে ধরেছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
কী জানা গেল—
* মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় ‘বড় আকারের হামলা’ চালিয়েছে।
* ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে এবং দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে।
* মাদুরোকে আটক করার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স অংশ নেয়।
* ভেনেজুয়েলা জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং এই ঘটনাকে ‘সামরিক আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
* হামলার নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, যে অজুহাতে হামলা চালানো হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।
* ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় হামলার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে ফ্লোরিডায় স্থানীয় সময় আজ সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করবেন তিনি।
যা অজানা—
* নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
* ভেনেজুয়েলায় হামলায় হতাহত ঘটনা ঘটেছে কি না।
* কত স্থানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
‘বড় পরিসরে’ হামলা চালানো হয়েছে: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলায় আজ শনিবার ভোরে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসির খবরে বলা হয়, মাদুরোকে কীভাবে ধরা হয়েছে বা তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য ৫ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।
আজ ভোরে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর রাজধানী কারাকাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় বিকট বিস্ফোরণের পর ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। স্থাপনা দুটির একটি হলো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লা কারলোটা সামরিক বিমানঘাঁটি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় স্থল অভিযানের ব্যাপারে বারবার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ: সিনেটর মাইক লি
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিপাবলিকানদলীয় সিনেটর মাইক লি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তাঁকে উদ্বৃত করে ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের এই সিনেটর বলেন, বামপন্থী নেতা নিকোলা মাদুরোকে আটক করার পরই এ অভিযান শেষ হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে আলাপের বরাত দিয়ে আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাইক লি লেখেন, ‘তিনি আশা করছেন, মাদুরো যেহেতু এখন যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে, তাই ভেনেজুয়েলায় আর কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।’
ভেনেজুয়েলার সরকারের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান মাদুরোর সহযোগীর
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো (নিকোলা মাদুরোর অন্যতম প্রধান সহযোগী ও প্রভাবশালী নেতা) টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশটির সরকারের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখতে বলেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘কেউ হতাশ হবেন না। কোনোভাবেই যেন আক্রমণকারী শত্রুদের কাজ সহজ হয়ে না যায়।’
কাবেয়ো বলেন, বেসামরিক ভবনে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই দাবির সপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি।
নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা আছে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দুর্নীতি, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয়।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব মামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা দিয়েছিল—মাদুরোকে গ্রেপ্তার বা দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়ক তথ্য দিলে ৫ কোটি ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।
মাদুরোকে আটক করার ঘোষণা দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালানো হয়েছে। মামলার অভিযোগপত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল আদালতে দাখিল করা হয়েছিল।
যে অজুহাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা, তা গ্রহণযোগ্য নয়: রাশিয়া
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসন চালিয়েছে। এটা উদ্বেগজনক এবং নিন্দনীয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলাকে ন্যায্যতা দিতে যে অজুহাত দেখানো হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে আমাদের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছি।’
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় কোনো রুশ নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকায় রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে পরিচিতি। তবে এখনো কারাকাসকে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়নি ক্রেমলিন।
মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে, তাঁর বিচার হবে: রুবিওর বরাতে মার্কিন সিনেটরের দাবি
যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির নেতা সিনেটর দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। বিচারের জন্য তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে। ওই সিনেটর জানান, তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জেনেছেন।
ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের সিনেটর মাইক লি আজ শনিবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ জানান, ‘তিনি (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও) আমাকে জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী নিকোলা মাদুরোকে গ্রেপ্তার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফৌজদারি অপরাধের মামলায় তাঁর বিচার করা হবে। আজ রাতে আমরা যে সামরিক অভিযান দেখেছি, তা মূলত এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে চালানো হয়েছিল।’
সিনেটর লি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপ সম্ভবত সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে, যা কোনো আসন্ন হামলা থেকে মার্কিন কর্মী ও নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা দেয়।’
তবে এর আগে সকালে সিনেটর লি এই হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের আগাম অনুমতি ছাড়াই এই হামলা চালানোর কোনো সাংবিধানিক যুক্তি আছে কি না।
কারাকাসে বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, আগুন
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের লা কারলোটা বিমানবন্দরের কাছে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে এবং সেখান থেকে ঘন ধোঁয়া উড়ছে। দ্য টাইমস ভিডিও যাচাই করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার কর্মকর্তাদের বিবৃতির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ভেনেজুয়েলার কতজন নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছেন, তা এখনো নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। বিষয়টি যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের কাছে মাদুরোর বেঁচে থাকার প্রমাণ চাইলেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে নিকোলা মাদুরোর বেঁচে থাকার প্রমাণ চেয়েছেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, একটি টেলিভিশন চ্যানেলে কথা বলার সময় রদ্রিগেজ বলেন, নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর বর্তমান অবস্থান অজানা। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে তাঁদের বেঁচে থাকার প্রমাণ চেয়েছেন।
ঐক্যবদ্ধভাবে এই হামলা প্রতিরোধ করার ঘোষণা ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ বলেছেন, কোনোভাবেই তিনি দেশে বিদেশি সেনা সহ্য করবেন না, ঐক্যবদ্ধভাবে এই হামলা প্রতিরোধ করবেন।
পাদ্রিনো লোপেজ বলেন, আজ শনিবারের মার্কিন হামলায় ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন জনবসতিপূর্ণ এলাকা আক্রান্ত হয়েছে। মার্কিন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট ছোড়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, হামলায় কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন, সরকার সে তথ্য সংগ্রহ করছে।
পাদ্রিনো লোপেজ নিশ্চিত করেছেন, রাজধানী কারাকাসের প্রধান সামরিক ঘাঁটি ‘ফোর্ট তিউনা’–তে হামলা করা হয়েছে।
লোপেজ এই হামলাকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘অপমানজনক ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা কার হাতে যাবে স্পষ্ট নয়
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দাবি যদি সত্য হয়, তবে ভেনেজুয়েলার সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা নিকোলা মাদুরোর সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের হাতে যাওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ এক অনিশ্চিত ও অজানা পথে মোড় নিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত কার হাতে ক্ষমতা যাবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, অন্যদিকে ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলগুলোর দাবি—দেশটির প্রকৃত ও বৈধ প্রেসিডেন্ট হলেন বর্তমানে নির্বাসিত রাজনীতিক এডমুন্ডো গঞ্জালেস।
এটি ছিল একটি চমৎকার অভিযান: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলায় অভিযানের সাফল্য নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, দক্ষ ও দুর্দান্ত সব মানুষ এই অসাধারণ পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, আসলে এটি ছিল একটি চমৎকার অভিযান।
তবে এই অভিযানের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না কিংবা ভেনেজুয়েলার পরবর্তী রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হবে— সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।
মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স আটক করেছে: সিবিএস
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স আটক করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে এই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
ডেল্টা ফোর্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট।
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলায় আজ শনিবার ভোরে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসির খবরে বলা হয়, মাদুরোকে কীভাবে ধরা হয়েছে বা তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য ৫ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।
প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ভেনেজুয়েলা সরকার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
আজ ভোরে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর রাজধানী কারাকাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় বিকট বিস্ফোরণের পর ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। স্থাপনা দুটির একটি হলো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লা কারলোটা সামরিক বিমানঘাঁটি।
অন্য সামরিক ঘাঁটি হলো ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি। এটিতেই প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো দীর্ঘদিন ধরে থাকেন বলে মনে করা হচ্ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় স্থল অভিযানের ব্যাপারে বারবার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।