মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া

সাবেক মন্ত্রী মায়া ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দুদকের

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং তাঁর স্ত্রী পারভীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঠিকাদারির কমিশন–বাণিজ্য, দলীয় পদ মনোনয়ন–বাণিজ্য, বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুদক এসব তথ্য জানিয়েছে। দুদক বলছে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ থেকে কমিশন নেওয়া, টিআর–কাবিখাসহ সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার এবং জ্ঞাত আয়ের বাইরে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে। সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১ কোটি ৮২ লাখ ৫৫ হাজার ২৬১ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। নিজ নামে থাকা ১৬টি ব্যাংক হিসাবে মোট জমা হয়েছে ২৫৫ কোটি ২৫ লাখ ১১ হাজার ৭৩১ টাকা। আর উত্তোলন করা হয়েছে ২৫৫ কোটি ১২ লাখ ২০ হাজার ২০৪ টাকা—যা দুদকের মতে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দুদক আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে একটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দুদক আরও বলছে, স্বামীর প্রভাব ও সহায়তায় পারভীন চৌধুরী জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৮ কোটি ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৬৯ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর নামে থাকা ৩৬টি ব্যাংক হিসাবে মোট জমা পাওয়া গেছে ১১১ কোটি ৭৪ লাখ ৪ হাজার ৪১১ টাকা। আর উত্তোলন করা হয়েছে ১১১ কোটি ৪৬ লাখ ৩৪ হাজার ৭১২ টাকা। এ ঘটনায় পারভীন চৌধুরী ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া—দুজনের বিরুদ্ধে দুদক আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দুটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।