রবীন্দ্র কাছারিবাড়ির সৌন্দর্য বিকৃত হলে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র কাছারিবাড়ির (স্থাপনা) সৌন্দর্য বিকৃত হলে আইন অনুসারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন। আদালত বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ ধরনের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

‘নিষেধ অমান্য করে রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি ঘেঁষে উঠছে ভবন’ শিরোনামে ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট প্রথম আলোতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন যুক্ত করে কাছারিবাড়ির প্রত্নতাত্ত্বিক সৌন্দর্য রক্ষায় নির্দেশনা চেয়ে একই বছরের ৭ আগস্ট হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে ওই রিট করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। কাছারিবাড়ির পাশে যেকোনো ধরনের নির্মাণ কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় দেওয়া হয়। আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

পরে মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘‌‌রুল নিষ্পত্তি করে কয়েকটি নির্দেশনাসহ রায় দেওয়া হয়েছে। রবীন্দ্র কাছারিবাড়ির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে—রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। রবীন্দ্র কাছারিবাড়ির সৌন্দর্য বিকৃত করা হলে, ১৯৬৮ সালের পুরাকীর্তি আইন ও সংবিধানের ২৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে দায়ী ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সৌন্দর্য রক্ষার্থে প্রয়োজনে কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে হলে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রিটটি চলমান তদারকিতে রাখা হয়েছে।’