অ্যাকটিভিস্ট এ এম হাসান নাসিমের মুক্তির দাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে, ২১ এপ্রিল ২০২৬
অ্যাকটিভিস্ট এ এম হাসান নাসিমের মুক্তির দাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে, ২১ এপ্রিল ২০২৬

অ্যাকটিভিস্ট হাসান নাসিমের দ্রুত মুক্তি দাবি

অ্যাকটিভিস্ট এ এম হাসান নাসিমের দ্রুত মুক্তি চেয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। তারা বলেছে, তাঁকে মুক্তি দেওয়া না হলে তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনের আয়োজক জাতীয় ছাত্রশক্তি।

মানববন্ধনে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, গত পরশু হাসান নাসিমের জামিন শুনানির কথা ছিল। তা আটকে দেওয়া হয়। আজ তাঁর জামিন শুনানি হবে। তাঁরা স্পষ্টভাবে দাবি করছেন, তাঁকে আর আটকে রাখা যাবে না। আজকের শুনানিতে জামিন দিয়ে তাঁকে সসম্মানে মুক্তি দিতে হবে।

শুধু কার্টুন শেয়ার দেওয়ার জন্য হাসান নাসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেন জাহিদ আহসান। তিনি বলেন, হাসান নাসিমের কণ্ঠকে রোধ করার জন্য, যেসব সত্য কথা তিনি বলতেন, সেসব সত্য কথা বন্ধ করার জন্যই তাঁকে জেলে পুরে রাখা হয়েছে। তাঁকে মুক্তি দেওয়া না হলে তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে শেখ হাসিনার সরকার ফ্যাসিজম কায়েম করেছিল। জনগণের কণ্ঠ রোধ করেছিল। এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে জনগণের বাক্‌স্বাধীনতা হরণ করছে।

হাসান নাসিমকে বর্তমান সরকার অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে বলে মন্তব্য করেন খান তালাত মাহমুদ। তিনি বলেন, হাসান নাসিমের জামিন নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। তাঁরা পরিষ্কারভাবে বলতে চান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসান নাসিমকে মুক্তি দিতে হবে।

বিএনপি সরকারের উদ্দেশে এই ছাত্রনেতা বলেন, ‘হাসিনা হওয়ার যে মিশনে আপনারা নেমেছেন, সেই মিশন ছাড়াও এ দেশের মানুষের জন্য অনেক কাজ রয়েছে। আপনারা দয়া করে সংসদে বসে সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ করেন। সেই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন।’

মানববন্ধনে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা ছাড়াও সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর ও বিভিন্ন কলেজের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।