রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় তরুণ রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
এ বিষয়ে আজ বেলা একটায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
গত রোববার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে রাকিবুল নিহত হন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ঘটনার দিন রাত সোয়া ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিবুল। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে তাঁকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি করেন। পরে তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তাঁরা পালিয়ে যান। এ সময় উপস্থিত লোকজন হামলাকারীদের একজনকে চাপাতিসহ ধরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন।
পুলিশ বলছে, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নিয়েছিলেন। একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে হামলাকারীদের ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল।
রাকিবুল হত্যার ঘটনায় তাঁর পরিবার মামলা করেছে।
রাকিবুলের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তাঁর বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।