
খাজা বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম (৪২)। খুলনার ফুলতলা থেকে এসেছেন মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে। তিনি বললেন, ‘মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখতে আসছি। একই সঙ্গে আমার ব্যবসাও হচ্ছে। ব্যবসার থেকে বড় বিষয় আজ আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন। আমিও এ ঘটনার সাক্ষী। কী যে ভালো লাগছে, তা বলে বুঝাতে পারব না!’
মনিরুলের ঝুড়িতে আছে মুখরোচক বাদাম ও নারকেলের খাজা। জনসভায় আসা অনেকেই মনিরুলের খাজা কিনে খাচ্ছেন। বেচাকেনা অন্য দিনের তুলনায় খুব ভালো হওয়ায় তিনি খুব খুশি। আজ শনিবার সকাল সাতটায় তিনি স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে একটি পিকআপ ভ্যানে চড়ে এসেছেন বাংলাবাজার ঘাটে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খুলনা থেকে অনেকেই আসছি। তবে সবাই জনসভার ভেতরে। আমি জনসভার কিছুটা বাইরে অবস্থান করে খাজা বিক্রি করছি। ভালোই কেনাবেচা হচ্ছে। হাজার হাজার লোক এই পথ দিয়ে যাচ্ছে। সবার চোখেমুখে আনন্দের হাসি দেখে ভালো লাগছে।’ তিনি বলেন, সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২ হাজার টাকার মতো কেনাবেচা হয়েছে। অনেকে যাওয়ার সময় মিষ্টিমুখ করতে খাজা কিনে নিচ্ছেন। কেউ ১০ টাকার, কেউ ২০ টাকার, আবার অনেকে বন্ধুবান্ধব মিলে ১০০ টাকার খাজাও কিনে নিচ্ছেন। আর যা আছে মোটামুটিভাবে সাত হাজার টাকার খাজা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা তাঁর।
জনসেবায় যাওয়ার পথে খাজা কেনেন হাসান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘২০ টাকার নারকেলের খাজা কিনলাম। খেতেও বেশ লাগছে। পাশাপাশি সঙ্গে যারা ছিল, তাদের ভালো দিনে মিষ্টিমুখ করাতে পারলাম। এটা খেতে খুব ভালো।’