
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর এজেন্টের কাছ থেকে ফলাফল শিটে আগাম সই নিয়েছেন। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টায় আয়মারসুলপুর হাজি মনির উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।
তবে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দাবি, ভোট গণনার পর এজেন্টদের খুঁজে পাওয়া যায় না। এ কারণে আগাম সই নিয়ে রাখা হয়েছে।
আজ বেলা পৌনে ১১টায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, নারী ও পুরুষ ভোটাররা পৃথক লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মশিউর রহমান তাঁর কক্ষের দরজা বন্ধ করে রেখেছেন। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখা গেল, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এক এজেন্টের কাছ থেকে ফলাফল শিটে সই নিচ্ছেন।
সই দেওয়া ওই ব্যক্তি জানান, তাঁর নাম শামীম হোসেন। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনুর রশীদের এজেন্ট হিসেবে বুথে আছেন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাঁকে ডেকে এনে ফলাফল শিটে সই নিচ্ছেন। তিনি সই দিতে কোনো আপত্তি করেননি।
এ বিষয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ভোট গণনার পর প্রার্থীদের এজেন্টকে খুঁজে পাওয়া যায় না। এ কারণে প্রার্থীদের এজেন্টের কাছ থেকে ফলাফল শিটে আগাম সই নেওয়া হয়েছে। যদি কেউ সই দিতে আপত্তি করেন, তাহলে তাঁর সই নেওয়া হবে না।
এদিকে জামালপুর সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের প্রতিটি বুথকে কেন্দ্র করে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। ৪ নম্বর বুথের গোপন কক্ষে ঢুকে দুজন নারী একসঙ্গে ভোট দিচ্ছেন। পাশের বুথের গোপন কক্ষে ঢুকে দুই তরুণ একসঙ্গে ভোট দিচ্ছিলেন।
নৌকার প্রার্থীর এজেন্ট জহুরুল ইসলাম বলেন, ওই দুই তরুণ সম্পর্কে চাচাতো ভাই। এ কারণে তাঁরা একসঙ্গে ভোট দিয়েছেন।
কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। দু-একটি অনিয়ম হতেই পারে।