মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ শিক্ষার্থী আবু নাইমের (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দলের সদস্যরা।
এর আগে গত শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে পানিতে তলিয়ে যান নাইম।
আবু নাইম নাটোরের লালপুর উপজেলার রায়হান আলীর ছেলে। তিনি রাজধানীর মিরপুরের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, নিখোঁজের পর থেকে ওই শিক্ষার্থীর সন্ধানে খোঁজ করে যাচ্ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দলের সদস্যরা। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের ৫০০ ফুট উজানে গিয়ে খোঁজ শুরু হয়। সে সময় নদীর ৪০ ফুট গভীর থেকে নাঈমের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি এমআইএসটি কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের পর এমআইএসটির ১৮ শিক্ষার্থী ট্রলারে করে পদ্মা নদীতে ঘুরতে বের হন। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নাঈমসহ তিনজন নদীতে গোসল করতে নামেন। গোসলের এক পর্যায়ে স্রোতের টানে ডুবে যাচ্ছিলেন তিনজন। সে সময় অন্য দুই শিক্ষার্থী সাঁতরে নিরাপদে আসতে পারলেও তলিয়ে যান নাঈম। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।