অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা নিয়ে হাঁটছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল

হাঁটার পথে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ভারইল গণ্ডগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িকতা নিয়ে কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল
ছবি: প্রথম আলো

ময়মনসিংহের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পালের ৩০০ কিলোমিটার পদযাত্রা গত বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। তিনি ময়মনসিংহের ১৩টি উপজেলা ও নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় হাঁটবেন।

৭০ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল মানুষের মধ্যে অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন সময় এমন পদযাত্রা করেন। এর আগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবসে তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা থেকে ৫০ কিলোমিটার হেঁটে ময়মনসিংহে এসেছিলেন।

বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরদিন শুক্রবার ভোরে পদযাত্রা শুরু করেন বিমল পাল। প্রথম দিন ময়মনসিংহ থেকে মুক্তাগাছা উপজেলায় যান তিনি। এরপর মুক্তাগাছা থেকে ফুলবাড়িয়া।
আজ রোববার ভোর ৬টা ১০ মিনিটে ভালুকা উপজেলা থেকে হাঁটা শুরু করে দুপুর ১২টায় বিমল পাল গফরগাঁওয়ে পৌঁছান। তিনি বলেন, ‘হাঁটার ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন স্থানে মানুষ দেখলে থামি। সেখানে মানুষদের কাছে নিজের পরিচয় দিয়ে অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা পৌঁছে দিই। আজ ভালুকা থেকে গফরগাঁওয়ে যাওয়ার পথে ভালুকার রংচাপড়া এবং গফরগাঁও উপজেলার ভারইল গণ্ডগ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসাম্প্রদায়িকতা নিয়ে কথা বলি। শিশুদের আমার নিজের লেখা মুক্তিযুদ্ধের বই দিই।’

বিমল পাল আজ রাতে গফরগাঁও উপজেলায় থাকবেন। পরদিন গফরগাঁও থেকে যাবেন নান্দাইল উপজেলায়। বিমল পালের সঙ্গে নিয়মিত ও অনিয়মিতভাবে হাঁটছেন স্বেচ্ছাসেবী তরুণেরা। আজ গফরগাঁও পৌঁছানোর সময় ছিলেন সাতজন স্বেচ্ছাসেবী। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করছে।

বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবসের দিন বিকেলে হালুয়াঘাট থেকে ৫০ কিলোমিটার হেঁটে ময়মনসিংহ শহরে আসবেন বিমল পাল। ওই দিন সার্কিট হাউস মাঠের বঙ্গবন্ধু চত্বরে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হবে।