
নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার ভেতর থেকে এক নির্মাণশ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর মাথা, গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। আজ শনিবার দুপুরের দিকে সার কারখানাটির আবাসিক এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শ্রমিকের নাম হানিফ মিয়া (৩০)। তিনি পলাশ উপজেলার ভাগ্যেরপাড়া এলাকার মৃত হরমুজ আলীর ছেলে। ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের পুরোনো আবাসিক ভবন ভেঙে ফেলার কাজের শ্রমিক ছিলেন তিনি।
পুলিশ ধারণা করছে, ভোরের দিকে ওই শ্রমিককে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হানিফ মিয়া গতকাল শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। আজ সকালে সার কারখানাটির আবাসিক এলাকার রাস্তার পাশে একটি মাটির স্তূপের ওপর তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই সার কারখানার পুরোনো ভবন ভাঙার কাজের ঠিকাদার মো. শাহিন ও এক্সকাভেটরচালক আবদুল খালেককে আটক করেছে পুলিশ।
পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইমদাদুল হক জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ভোরের দিকে ওই শ্রমিককে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দ্রুত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।