
নাটোরের জনসেবা হাসপাতালের মালিক ও চিকিৎসক আমিরুল ইসলামকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। চাকরিচ্যুত কর্মচারী আবু আসাদ তাঁর প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক আছে, এমন সন্দেহে চিকিৎসককে খুন করেন। পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, আসাদ বোরকা পরে ঢুকে চিকিৎসককে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার হলেও বোরকা চলনবিলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত আসাদ ও নার্সসহ ৬ জন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।