চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের পঞ্চম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৩ মে এই পর্যায়ের ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়েটের ভর্তি–সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এই ধাপে প্রকৌশল বিভাগগুলো আর নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মূল মেধাক্রমে ৩৫০১ থেকে ৪০০০ পর্যন্ত থাকা শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে। অন্যদিকে স্থাপত্য বিভাগের মেধাক্রম ১৩১ থেকে ১৩৫ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে।
যে প্রক্রিয়ায় হবে ভর্তি
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত এ মেধাক্রমে থাকা প্রার্থীদের সনদ যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা ৩ মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় প্রত্যেককে স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট সঙ্গে আনতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় চশমা ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের চশমা সঙ্গে রাখতে হবে।
অন্তর্ভুক্ত মেধাক্রমধারী প্রার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। এরপর অনলাইন পছন্দক্রম ফরম ও ড্যাশবোর্ডে নির্দেশিত অন্য সব ফরম ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হবে। এটিই ৩ মে নিয়ে আসতে হবে। কোনো প্রার্থী যদি আগে অনলাইন পছন্দক্রম ফরম পূরণ না করেন, তাহলে ভর্তির দিন তাঁকে পূরণের সুযোগ দেওয়া হবে। নিরীক্ষা বোর্ড শিক্ষার্থীদের সনদ যাচাই করার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করবে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরদিন, অর্থাৎ ৪ মে সকাল থেকেই মূল ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বিভাগ দেখে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ১৮ হাজার ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখায় বেলা তিনটার মধ্যে জমা দিতে হবে। তবে কোনো প্রার্থী স্বাস্থ্য পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পর ৩ মে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন।
ভর্তি হতে মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদ, ট্রান্সক্রিপ্টের মূল কপি, উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি, ট্রান্সক্রিপ্টের মূল কপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের থেকে নেওয়া প্রশংসাপত্রের মূল কপি, সদ্য তোলা (অনধিক ৩ মাস) দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, হল পর্যবেক্ষকের স্বাক্ষরসংবলিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র জমা দিতে হবে।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষার প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, এখনো ২৩টি আসন ফাঁকা রয়েছে।