আবহাওয়া অধিদপ্তর
আবহাওয়া অধিদপ্তর

সাগরে লঘুচাপে ৪ বন্দরে সতর্কতা, বৃষ্টি বাড়বে কবে

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আর এ কারণে দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ লঘুচাপের নিম্নচাপের পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও আরেকটু শক্তিশালী হতে পারে বলে অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। এটি এখন বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি আছে। এর প্রভাবে বৃষ্টি কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা।

এর আগে জুলাই মাসে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের সঙ্গে মৌসুমি বায়ু মিলে দেশজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। দেশের অন্তত ৯ জেলায় বন্যা হয়। পাহাড়ধস ও বন্যায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূলে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। আর এ জন্যই দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বন্দরগুলো হলো চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা।

বৃষ্টি কি বাড়বে

লঘুচাপ থেকে গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছিল জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছিল। চট্টগ্রামে পাঁচ দিনে ১ হাজার ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। ওই মাসে ওই বিভাগে মোট বৃষ্টির পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ মিলিমিটার। তবে এবারের এই লঘুচাপের নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হামিদ মিয়া। তিনি আজ প্রথম আলোকে বলেন, এটি নিম্নচাপে পরিণত না হলেও ঘনীভূত হতে পারে। আর এর অবস্থান উপকূলের কাছে। তাই এর প্রভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে তা এখনই হবে না। আগামী শুক্রবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। তবে খুব বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় গরম বেড়েছে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন দেশের তিন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও ভ্যাপসা গরম বেড়েছে সর্বত্র। এর কারণ বাতাসে ব্যাপক আদ্রতা। আজ সকালে রাজধানীর বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ।