সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে শফিক আহমেদের মরদেহ আনা হলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ১৩ এপ্রিল
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে শফিক আহমেদের মরদেহ আনা হলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ১৩ এপ্রিল

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের দাফন সম্পন্ন

শোক, ভালোবাসা ও ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হয়ে—চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি শফিক আহমেদ। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

আজ বেলা ১১টার দিকে ইন্দিরা রোডের বাসভবনসংলগ্ন খেলার মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। বাদ জোহর সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেন প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা হয়। জানাজায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি ও আইনজীবীরা অংশ নেন।

দ জোহর সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেন প্রাঙ্গণে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা হয়। ১৩ এপ্রিল

জানাজার পর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বেলা ৩টার কিছু আগে শফিক আহমদের মরদেহ বহনকারী গাড়িটি আদালত প্রাঙ্গণ ছাড়ে। সেখান থেকে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাড়ে ৪টার দিকে মরদেহ আজিমপুর কবরস্থানে নেওয়া হয়। সাড়ে ৫টার দিকে সেখানেই তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার শফিক আহমেদ ইন্তেকাল করেন। শফিক আহমেদের বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন) মন্ত্রী ছিলেন।