গত বছর নববর্ষে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে। মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম বদলে এই নাম দেওয়া হয়। এবার আবার বদলাচ্ছে নাম
গত বছর নববর্ষে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে। মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম বদলে এই নাম দেওয়া হয়। এবার আবার বদলাচ্ছে নাম

মঙ্গল, আনন্দ নয়, নাম হচ্ছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

‘আনন্দ শোভাযাত্রা’, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নয়, এবার থেকে বাংলা নববর্ষের শোভাযাত্রার নাম হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’।

আজ রোববার সচিবালয়ে এক সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘নাম (শোভাযাত্রার নাম) নিয়ে একটা বিতর্ক, এই বিতর্ক আমরা অবসান করতে চাই। অবসান করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মিটিংয়ে। এটা নিয়ে আগেও বড় মিটিং করেছি, এবার থেকে আমাদের সরকারি সিদ্ধান্ত আছে—আমরা এটাকে আনন্দ শোভাযাত্রাও বলব না, মঙ্গল শোভাযাত্রাও বলব না।’

সচিবালয়ে  সভা শেষে বাংলা নববর্ষের শোভাযাত্রার নতুন নাম জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী । আজ রোববার সকালে

মন্ত্রী বলেন, ‘শোভাযাত্রা হবে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে। এখানে সমস্ত সাংস্কৃতির প্রদর্শন থাকবে। যার যার মতো ঢোল-বাদ্য, পোশাক-আশাক নিয়ে একটা আনন্দঘন শোভাযাত্রা হবে। এই শোভাযাত্রার নাম হবে “বৈশাখী শোভাযাত্রা”।’

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বৈশাখী মেলা, বৈশাখী শোভাযাত্রা, বৈশাখী আনন্দ—সবকিছুতে তাঁরা বৈশাখকে হাইলাইট করতে চান, এটা তাঁদের সিদ্ধান্ত।

নাম বৈশাখী শোভাযাত্রা করায় ইউনেসকোর স্বীকৃতির বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ইউনেসকোকে জানিয়ে দেওয়া হবে, এ দেশে এখন থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা হবে, এটাই ঐতিহ্য। বৈশাখের শোভাযাত্রাকে ইউনেসকো স্বীকৃতি দিয়েছে, এটা হলো মৌলিক দিক।