রাশিয়ার তেল–এলএনজি সবই আছে, বিকল্প উৎস হিসেবে আমরা চেষ্টা করছি: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী
রাশিয়ার তেল–এলএনজি সবই আছে, বিকল্প উৎস হিসেবে আমরা চেষ্টা করছি: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

রাশিয়ার তেল–এলএনজি সবই আছে, বিকল্প উৎস হিসেবে আমরা চেষ্টা করছি: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

বিকল্প উৎস হিসেবে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার তেল ও এলএনজি—সবই আছে। আমরা বিকল্প উৎস হিসেবে দেশটি থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছি। জ্বালানি একটি বড় বিষয়। এ ক্ষেত্রে (সেখানে) আমাদের কী সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা আমরা দেখছি। কিন্তু এখানে কিছু আন্তর্জাতিক ইস্যু আছে। সেসব বিষয় নিয়ে আলাপ হচ্ছে। দেখা যাক, কী হয়।’

আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের পরিকল্পনা কমিশনে মন্ত্রীর দপ্তরে রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোঁজিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী। বেলা সাড়ে তিনটায় এ বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সংসদ অধিবেশনের কারণে দেরি হয়ে শুরু হয় বিকেল পাঁচটায়। যদিও তার এক ঘণ্টা আগে থেকে মন্ত্রীর দপ্তরে অপেক্ষায় ছিলেন রুশ রাষ্ট্রদূত।

সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আমরাও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এটা চেয়েছি।’ তা ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এর উৎপাদন আগামী এপ্রিলে শুরু হতে যাচ্ছে। জুন–জুলাইয়ে হয়তো প্রথম বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। আমরা প্রথম ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাব।’

রাশিয়ার তেল দেশে পরিশোধন করা যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ছাড়ের জন্য আবেদন করেছি। দেখা যাক আগে। পরে অন্যান্য বিষয় দেখা যাবে। তাদের এলএনজিও আছে। তারা সহায়তা করতে আগ্রহী। এখন জ্বালানি নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু। যেকোনোভাবে একটা সমাধানে আসতে হবে।’

এর আগে গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের পর রাশিয়ার তেল কিনতে দেশটির ছাড় চাওয়ার কথা বলেছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।