জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা তৈরি করবে দেশীয় কোম্পানি জান্ট এক্সেসরিজ লিমিটেড। এ জন্য আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে (বেজা) এই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা তৈরি করবে দেশীয় কোম্পানি জান্ট এক্সেসরিজ লিমিটেড। এ জন্য আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে (বেজা) এই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়

মিরসরাইয়ে বালিশ বানানোর কারখানা করবে জান্ট এক্সেসরিজ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেডে) কারখানা স্থাপন করবে দেশীয় কোম্পানি জান্ট এক্সেসরিজ লিমিটেড। কোম্পানিটি সেখানে বালিশ, কমফোর্টার, ফোমসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করবে।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা স্থাপনের জন্য দেশীয় কোম্পানিটি পাঁচ একর জমিতে প্রায় ৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। ২০২৭ সালের মে মাস থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছে কোম্পানিটি।

আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বেজা সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ও জান্ট এক্সেসরিজ লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয়। এ সময় বেজার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ ও জান্ট এক্সেসরিজ লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ বলেন, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে এই প্রতিষ্ঠানের বেজার পরিবেশবান্ধব শিল্প উদ্যোগের একটি উদাহরণ। এই ধরনের রপ্তানিমুখী শিল্প উদ্যোগ অন্যান্য দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়ও প্রতিষ্ঠানটির শিল্পকারখানা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্য হবে পলিউরেথেন ফোম, পলিইথিলিন ফোম, পুনর্ব্যবহৃত ফোম, ম্যাট্রেস, বালিশ, কমফোর্টার, জুতার ইনসোলসহ নানা পণ্য। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৯০ শতাংশ কাঁচামাল চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে এখন প্রায় ১৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া ২৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণাধীন রয়েছে।