মুক্তিযোদ্ধা সনদ সঠিক, ৪৬তম বিসিএসে চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেন আরও ৬ জন

৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে স্থগিত রাখা ছয় প্রার্থীর সাময়িক সুপারিশ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সঠিক পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার পিএসসির ওয়েবসাইটে এ–সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা ২০২৩–এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। সেই সময় বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৪৫৭ প্রার্থীকে সাময়িকভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছিল। পিএসসি জানিয়েছে, সনদ সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় আজ তাঁদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে মনোনয়ন প্রদান করা হলো।

কমিশন জানিয়েছে, নতুন করে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে পাঁচজন এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারে একজন রয়েছেন। এর মধ্যে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন দুজন, যাঁদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১১১০৭২৭৮ ও ১১০২৫২৬৪। এ ছাড়া বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১১০৮৯৮২৯, বিসিএস কর ক্যাডারে ১৩০২৭৮৬৬, বিসিএস পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে ১৩০২৫২৮১ এবং বিসিএস পশুসম্পদ ক্যাডারে ১৭০১৮৬৫১ নম্বরধারী প্রার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সুপারিশ সম্পূর্ণ সাময়িক। চূড়ান্ত নিয়োগের আগে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও অন্যান্য কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য ঘোষণা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন যাচাইয়ের পর সরকার তাঁদের চূড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি আবেদনপত্রে জ্ঞাতসারে কোনো ভুল তথ্য প্রদান করেন কিংবা কোনো তথ্য গোপন বা জালিয়াতির আশ্রয় নেন, তবে বিজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হবে। এমনকি চাকরিতে নিয়োগের পরও যদি এমন কোনো তথ্য প্রমাণিত হয়, তবে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মনোনীত প্রার্থীরা পিএসসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এই ফলাফল ও বিস্তারিত নির্দেশনা দেখতে পারবেন।