উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই বিষয়ে ব্যাচেলরে ভর্তি, পড়াশোনায় বিরতি থাকলেও আবেদন

দূরশিক্ষণের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা প্রসারে দেশের অন্যতম অগ্রণী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধীনে ‘ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই)’ প্রোগ্রামের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের (১২তম ব্যাচ) প্রথম টার্ম প্রথম সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মজীবী শিক্ষার্থী কিংবা যাঁরা নির্দিষ্ট ক্যাম্পাসে নিয়মিত উপস্থিত না হয়েও তথ্যপ্রযুক্তির মতো আধুনিক ও চাহিদাপূর্ণ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করতে চান, তাঁদের জন্য বাউবির এই প্রোগ্রাম এক অনন্য সুযোগ নিয়ে এসেছে।

আবেদনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা

এই প্রফেশনাল ও আধুনিক প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ–৩.০০ (স্কেল–৫) অথবা দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিন বা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা সম্পাদনকারী শিক্ষার্থীরা ন্যূনতম সিজিপিএ–২.৫০ (স্কেল–৪) বা দ্বিতীয় বিভাগ পেয়ে থাকলে আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ‘ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন (ডিসিএসএ)’ প্রোগ্রাম থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও এই কোর্সে আবেদন করতে পারবেন।

অনলাইন আবেদনের প্রক্রিয়া ও গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি

আগ্রহী প্রার্থীদের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। অনলাইন আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে ২৫ সেপ্টেম্বর এবং তা চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। আবেদন ফি বাবদ এক হাজার টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর মনোনীত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী ৫ নভেম্বর। ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা যাবে ৩ থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি–ইচ্ছুক প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা গাজীপুরের বোর্ড বাজারে বাউবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২৬ নভেম্বর প্রকাশিত হবে এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন ও প্রশ্নপদ্ধতি

উচ্চমাধ্যমিক সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে এই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয়। পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০, যার মধ্যে এমসিকিউ অংশে পদার্থবিজ্ঞানে ২৫ এবং গণিতে ২৫ নম্বর থাকে। এ ছাড়া বর্ণনামূলক অংশে পদার্থবিজ্ঞানে ১০ ও গণিতে ১০ নম্বর এবং লিখন দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য বাংলায় ৫ ও ইংরেজিতে ৫ নম্বর নির্ধারিত রয়েছে।

এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের আনুপাতিক হার থেকে ২০ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা থেকে ১০ নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হয়। ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বাউবির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.bou.ac.bd বা www.bousst.edu.bd) থেকে জানা যাবে।

*বিস্তারিত সব তথ্যের জন্য এখানে দেখুন