
শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নন্দন মঞ্চে শুরু হয়েছে চট্টগ্রামভিত্তিক গণসংগীতের সংগঠন সৃজামির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী গণসংগীত উৎসব। বিকেল পাঁচটায় নাট্যজন মামুনুর রশীদ উৎসবের উদ্বোধন করেন।
আয়োজকদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ‘গণসংগীত: দ্রোহ, সাম্য ও নবজীবনের গান’ স্লোগান ধারণ করে আয়োজন করা হয়েছে এবারের উৎসব। এ উৎসবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সৃজামির পরিচালক সুজিত চক্রবর্তী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার ও সম্মিলতি সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক দুলাল দাশ গুপ্ত।
উৎসবের প্রথম দিনে একক সংগীত পরিবেশন করেন সুজিত চক্রবর্তী, পূজা চক্রবর্তী, ময়ূরী দাশ গুপ্তা, সাবিরা শাহীনূর পল্লবী, তৌহিদ শিমুল, রশ্মী দেব ও রিয়া দেব। এ ছাড়া ছিল দলীয় সংগীত পরিবেশনা। সৃজামি পরিবেশন করে দলীয় সংগীত ‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’, ‘আমি যে দেখেছি সেই দেশ’, ‘তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর’, ‘এই শহর প্রাচীন শহর’, অন্বেষণ বিক্রমপুর পরিবেশন করে ‘সেদিন আর কত দূরে’, ‘হেই সামালো হেই সামালো’, ‘বাঁধ ভেঙে দাও’, ‘তোমরা এখনো ঘুমাও’।
আজ সমাপনী
দুই দিনব্যাপী উৎসবের শেষ দিনে আজ সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে সৃজামি পরিবেশন করবে কবিতার গান ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী পরিবেশন করবে গীতি-কাব্য-নাট্যালেখ্য ‘ধর ধর চোর ধর’। কবিতার গান ছয়টি সুরারোপিত কবিতা নিয়ে পরিবেশনা, যার সুরারোপ ও সংগীত পরিচালনা করেছেন সুজিত চক্রবর্তী। সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান। এ ছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণসংগীতশিল্পী মাহমুদ সেলিম ও নাট্যজন অভিজিৎ সেনগুপ্ত।
২০১২ সালের পয়লা বৈশাখ চট্টগ্রামভিত্তিক গণসংগীতের দল সৃজামি সাংস্কৃতিক অঙ্গন প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালে সংগঠনের নেতৃত্বে চালু হয় সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৃজামি সংগীত নিকেতন।