
যাঁরা অন্দরে বেশি সজ্জা পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য বছরটি আদর্শ। ডিজাইনের ‘স্যাড বেজ’ বা ‘ম্লান বেজ রং’ ব্যবহারের যুগ শেষ। এ বছর ঘর সাজাতে বহুরূপী বা নানা রঙের মিশেল দেখা যাবে।
এ বছর বেশি দেখা যাবে বাদামি রং। উষ্ণ, মাটির মতো নিরপেক্ষ রংগুলো একধরনের আলিঙ্গনের অনুভূতি তৈরি করে। এগুলো বড় জায়গাকে আয়ত্তে নিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশের রঙের সঙ্গে সমন্বয় তৈরি করে। গাঢ় লাল মাটির রং বা গাঢ় বাদামি ব্যবহারে অন্দরে চলে আসবে ভিন্নতা।
এটি প্রাকৃতিক অনুভূতি দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত নজর কাড়বে। তবে খুব বড় জায়গায় একটানা ব্যবহার না করে ছোট ছোট জায়গায় এটি ব্যবহার করলে দেখতে বেশি ভালো লাগবে।
ম্লান আকাশি নীল সহজেই তৈরি করতে পারে শান্ত আর নরম একটা পরিবেশ। গত চার বছর যে নিরপেক্ষ রঙে অন্দর সাজানো হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে এটি খুব ভালো যায়। চাইলে গত বছর আর এ বছরের এই রংটিকে একসঙ্গেই আনতে পারবেন। এ ছাড়া কাঠের যেকোনো আসবাবের সঙ্গেও অন্দরের এ রংটি সহজেই মিশে যাবে। প্যানটোনও এ বছর বেছে নিয়েছে কাছাকাছি একটা রং—ক্লাউড ড্যান্সার। সাধারণ দৃষ্টিতে এটিকে দেখে সাদা রং বলেই মনে হবে। তবে এতে সামান্য হলদেটে ভাবও আছে। নানা দিক থেকে পৃথিবী কঠিন সময় পার করছে। আর সেই ভাবনা মাথায় রেখেই ২০২৬ সালের জন্য রংটি নির্বাচন করেছে প্যানটোন।
মাটির রংগুলো এ বছর প্রাধান্য পাবে, এটা আগেই বলেছি। এই শেডের আরেকটি হলো হলদে মিশ্রিত কমলা রং। ঘরে এই রঙের ব্যবহারে উজ্জ্বলতা আসবে, পুরোনো ও আধুনিক উভয় ধাঁচের আসবাবের সঙ্গে খুব সুন্দরভাবে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেবে।প
লাল ও বারগান্ডি রংটি এ বছর অনেকভাবেই দেখা যাবে। বিভিন্ন বিদেশি ম্যাগাজিন দেখেই বোঝা যাচ্ছে, এ বছর রং নিয়ে বেশ সাহসী মনোভাব প্রকাশ পাবে। যাঁরা ব্যক্তিগতভাবে এ রংটিকে ভালোবাসেন, অনায়াসেই নিয়ে আসতে পারবেন অন্দরে।
লেমন-ভ্যানিলা রংটি সাদা রঙের পরিপূরক হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এটি অন্দরের অন্যান্য উজ্জ্বল ও গাঢ় রংকে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে পারে।
সূত্র: ভোগ, এল