জেনে নিন ঢাকার কোথায় পাবেন নকশিকাঁথার নানা পণ্য

মাধবী মার্টে এক ছাদের নিচেই পেয়ে যাবেন ৫০টির বেশি কাঁথার নকশা
জেনে নিন ঢাকার কোথায় পাবেন নকশিকাঁথার নানা পণ্য

মেট্রোরেল দিয়ে উত্তরা উত্তর স্টেশনে নামলে সেক্টর ১৫–তে মাধবী মার্টের শোরুম। সেখান থেকে দেখে, হাতে ছুঁয়ে, কাপড় ও নকশা পছন্দ করে নিতে পারবেন।

মাধবী মার্টে এক ছাদের নিচেই পেয়ে যাবেন ৫০টির বেশি কাঁথার নকশা। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী সাবিনা ইয়াসমিন মাধবী জানান, তিন থেকে চার স্তরের ভারী কাঁথাগুলোতে সহজেই মানিয়ে যায় মাঝারি আর হালকা শীত। যাঁরা গরমেও কাঁথা ছাড়া ঘুমাতে পারেন না, তাঁদের জন্য আছে হালকা ওজনের নরম কাঁথা।

প্রতিষ্ঠানটির অনলাইন ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার করে বাড়িতে বসেও কিনতে পারবেন। দাম পড়বে ১ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার টাকা।

জামালপুর, সৈয়দপুর, যশোর, মানিকগঞ্জ থেকে কুমুদিনীর নকশিকাঁথার কাজগুলো করিয়ে আনা হয়

অনলাইনে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শখানেক পেজে বিক্রি হয় নকশিকাঁথা। সামনাসামনি দেখে কিনতে চাইলে যেতে পারেন আড়ংয়ে। প্রতিষ্ঠানটির প্রায় সব শাখাতেই পাবেন চোখজুড়ানো নকশার কাঁথা। এ ছাড়া পোশাকেও পাবেন নকশিকাঁথার নকশা।

দেশীয় কৃষ্টি নিয়ে কাজ করে মোহাম্মদপুরের বিপণনকেন্দ্র সোর্স এবং বনানীর যাত্রা। দুটি প্রতিষ্ঠানের শোরুমেই পাবেন নানা রং-নকশার নকশিকাঁথা, পোশাক এবং অন্যান্য জিনিস। রং, নকশা আর কাপড়ের মান অনুযায়ী দাম নির্ভর করবে।

কারুপল্লীর রানার

আর দামাদামি করে কিনতে চাইলে গন্তব্য নিউমার্কেট। দাম শুরু হতে পারে ৯০০ টাকা থেকে। ভাগ্য ভালো হলে কোথাও যেতে হবে না। জানালার বাইরে নিচের রাস্তা থেকে ভেসে আসতে পারে কাঁথা ফেরি করে বেড়ানো ফেরিওয়ালার সুরেলা ডাক ‘হাতের কাজের নকশিকাঁথা…’।

জামালপুর, সাতক্ষীরা আর যশোর থেকে নকশিকাঁথার নানা পণ্য নিয়ে আসে কারুপল্লী। বিছানার চাদরগুলো ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা, টেবিল ম্যাটের দাম শুরু ৩৫০ থেকে, ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে কুশন কভার।

রং, নকশা আর কাপড়ের মান অনুযায়ী নকশিকাঁথার দাম নির্ভর করবে।

কুমুদিনী হ্যান্ডিক্রাফটসেও পাওয়া যায় নানা ধরনের নকশিকাঁথার পণ্য। জামালপুর, সৈয়দপুর, যশোর, মানিকগঞ্জ থেকে নকশিকাঁথার কাজগুলো করিয়ে আনা হয়।

৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে শাড়ি। পার্স ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, টেবিল ম্যাট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ওয়ালম্যাট ৭০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা আর কাঁথার দাম ৮ হাজার ১০০ থেকে ১৪ হাজার টাকা।

পাশ্চাত্য কাটের পোশাকের ওপর নকশিকাঁথার নকশা এনে খুব অল্প সময়ে নজর কেড়েছেন সামাহা সুবাহ। ২০২৪ সালের শেষ দিকে খুব ছোট পরিসরে শুরু করেন ব্র্যান্ড সিজের কার্যক্রম। জামালপুর থেকে করিয়ে আনা নকশিকাঁথার কাজগুলো বেশ নজরকাড়া।

কারুপল্লীর নকশিকাঁথার পণ্য

কো-অর্ড, জ্যাকেট, জাম্পস্যুট, বল গাউন, লেহেঙ্গা সবকিছুতেই নিয়ে এসেছেন নকশির কাজ। তবে অতিরিক্ত পোশাক তৈরি করে অপচয় করেন না। ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বানিয়ে দেন। কাজ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয় পোশাকের দাম।