কোরবানির পশুর হাটে যাওয়ার ঝক্কি ছাড়াই এখন শুধু অনলাইনে শরিয়াহসম্মত উপায়ে প্রাণী নির্বাচন, প্রক্রিয়াকরণ ও হোম ডেলিভারির সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এসব সেবা দেয়, এমন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের খোঁজখবর থাকল এখানে।
শহুরে ব্যস্ত জীবনে ঈদুল আজহায় নাকাল হতে হয় উপযুক্ত কসাইয়ের খোঁজ করতে গিয়ে। এ ছাড়া বর্জ্য অপসারণ কিংবা মাংসের সঠিক বণ্টন নিয়েও থাকে দুশ্চিন্তা। বিশেষ করে প্রবাসী পরিবার, চাকরিজীবী কিংবা প্রবীণদের জন্য ঈদের দিন এই পুরো প্রক্রিয়া বেশ বড় ঝক্কির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সমস্যাটির একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও স্বস্তিদায়ক সমাধান নিয়ে এসেছে দেশীয় বেশ কিছু অ্যাগ্রোভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। জেনে নিন বিস্তারিত।
কোরবানি বিষয়ক সেবায় দেশের অন্যতম শীর্ষ ও অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল মিট। তাদের আছে নিজস্ব অনলাইন পোর্টাল। পছন্দের গবাদিপশু অর্ডার করতে ভিজিট করতে পারেন qurbani.bengalmeat.com–এ। অনলাইনে অর্ডার নিশ্চিত করলে ঈদের দিন কোরবানি হয়ে মাংস ডেলিভারি হবে ঈদের দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দিনের টাইম স্লটে।
মাংস প্রক্রিয়া করে নেওয়ার বেলায় খরচ ও সুবিধা
প্রতিটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বা তার নিচের দামের গরুর ক্ষেত্রে—
ঈদের দ্বিতীয় দিন ডেলিভারি নিলে সার্ভিস চার্জ পড়বে ২৪ হাজার টাকা
তৃতীয় দিন ১৫ হাজার টাকা
চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ১৩ হাজার টাকা
১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি ও ১ লাখ ৮০ হাজার দামের গরুর ক্ষেত্রে—
ঈদের দ্বিতীয় দিন নিলে সার্ভিস চার্জ পড়বে ২৫ হাজার টাকা
তৃতীয় দিন ১৬ হাজার টাকা
চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ১৩ হাজার টাকা
১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বা তার বেশি দামের গরুর ক্ষেত্রে—
ঈদের দ্বিতীয় দিন ডেলিভারি নিলে সার্ভিস চার্জ পড়বে ২৭ হাজার টাকা
তৃতীয় দিন ১৮ হাজার টাকা
চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ১৬ হাজার টাকা
ছাগলের ক্ষেত্রে—
ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে ডেলিভারি নিলে সার্ভিস চার্জ পড়বে সাড়ে ৪ হাজার টাকা
ঈদের পরদিন নিলে সার্ভিস চার্জ পড়বে সাড়ে ৩ হাজার টাকা
কেরানীগঞ্জ আঁটিবাজারের চন্ডিপুর গ্রামে অবস্থিত ছায়াবিথী অ্যাগ্রো লিমিটেডের মালিক আরিফ ইরফানুল হক বলেন, ‘প্রবাসী, ব্যস্ত চাকরিজীবী এবং যাঁরা শরিক বা ভাগীদার খোঁজার ঝামেলা এড়াতে চান, তাঁদের সম্পূর্ণ সেবা দিচ্ছে ছায়াবিথী অ্যাগ্রো। কোরবানি থেকে শুরু করে শরিয়াহসম্মত বণ্টন ও কোল্ড চেইন লজিস্টিক সাপোর্ট ব্যবহার করে মাংস ঘরে পৌঁছে দিই আমরা ঘরে ঘরে।’
গরুর ক্ষেত্রে প্রতি ৭ ভাগ অংশীদারের ১ ভাগ মূল্যের একেকটি প্যাকেজের মূল্য যথাক্রমে—
১৯ হাজার ৯০০ টাকা
২৪ হাজার ৯০০ টাকা
৩০ হাজার ৯০০ টাকা
ওজন অনুযায়ী প্রতিটি ছাগলের মূল্য যথাক্রমে—
১৭ হাজার ৮০০ টাকা
১৯ হাজার ৮০০ টাকা
২৩ হাজার ৯০০ টাকা
প্রতি প্যাকেজ মূল্যের বাইরে সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হবে ১ হাজার টাকা। আর একাই একটি গরু কিনে কোরবানি দেওয়ার বেলায় সার্ভিস চার্জ পড়বে গরুর দামের শতকরা ১৫ টাকা।
নিজস্ব খামারে লালিত গরুর মাধ্যমে ওজনের ওপর ভিত্তি করে ৩টি ক্যাটাগরির টেবিল মিট প্যাকেজ রেখেছে মুন্না ক্যাটেল ফার্ম। প্রতি ৭ ভাগ অংশীদারের ১ ভাগের মূল্যই হচ্ছে একেকটি প্যাকেজের মূল্য।
প্রথম প্যাকেজ: সাড়ে ১৫ হাজার টাকা (মাংসের পরিমাণ ১৫–১৭ কেজি)
দ্বিতীয় প্যাকেজ: সাড়ে ২০ হাজার টাকা (মাংসের পরিমাণ ২০–২২ কেজি)
তৃতীয় প্যাকেজ: সাড়ে ২৫ হাজার টাকা (মাংসের পরিমাণ ২৫–২৮ কেজি)
আছে ফ্রি হোম ডেলিভারির সুবিধা। মুন্না ক্যাটেল ফার্মের স্বত্বাধিকারী মঞ্জুরুল আলম জানান, তাঁদের কাছ থেকে শরিকের বাইরে একা কোরবানির জন্য গরু কিনলে কসাইয়ের মাধ্যমে মাংস প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য হাজারে ১০০ টাকা খরচ পড়বে। আর সরাসরি বাসায় গিয়ে মাংস প্রস্তুত করে দেওয়ার জন্য খরচ পড়বে হাজারে ১৫০ টাকা।
নোয়াখালী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় গরু নিয়ে আসে ঈশান ক্যাটেল ফার্ম। তাদের আছে গরুতে ৫টি ও ছাগলে ৪টি প্যাকেজ। গরুর ক্ষেত্রে প্রতি ৭ ভাগ অংশীদারের ১ ভাগ মূল্যের একেকটি প্যাকেজের মূল্য যথাক্রমে—
১৫ হাজার ৮০০ টাকা
২০ হাজার ৮০০ টাকা
২৫ হাজার ৮০০ টাকা
৩০ হাজার টাকা
৩৫ হাজার টাকা
ওজন অনুযায়ী প্রতিটি ছাগলের মূল্য যথাক্রমে—
সাড়ে ১৩ হাজার টাকা
সাড়ে ১৮ হাজার টাকা
২৫ হাজার টাকা
৩০ হাজার টাকা
ঈশান ক্যাটল ফার্মের স্বত্বাধিকারী সোলায়মান হোসেন জানান, কোরবানি থেকে শুরু করে দক্ষ কসাইয়ের দ্বারা মাংস প্রস্তুত করে—
ঈদের দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ডেলিভারি পেতে খরচ গরুর মূল্যের ওপর প্রতি হাজারে ১৫০ টাকা
বেলা ১টা থেকে সারা দিনের জন্য প্রতি হাজারে ১০০ টাকা
ঈদের পরের দিনের জন্য প্রতি হাজারে ৮০ টাকা
দেশী অ্যাগ্রোর প্রতিষ্ঠাতা কামরুল হাসান বলেন, ‘করোনাকাল থেকে ঢাকায় শেয়ারে কোরবানির কার্যক্রম পরিচালনা করছে দেশী অ্যাগ্রো। সে সময় ঢাকার ডিওএইচএস এলাকায় করোনার পশু জবাই নিষিদ্ধ ছিল। তখন সেখানকার কিছু অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার পরামর্শে আমরা শেয়ারে কোরবানিসহ সম্পূর্ণ গরু ও খাসির মাংস প্রসেস করে হোম ডেলিভারি করি। সেই থেকে শুরু।’
এবার গরু কোরবানিতে ডেলিভারি চার্জসহ প্রতি ৭ ভাগের ১ ভাগ শেয়ারে পড়বে ২২ হাজার টাকা।
আর এককভাবে কোরবানির ক্ষেত্রে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে ১২০–১৩৫ কেজি ওজনের দেশি গরু
২৪ থেকে ২৬ কেজি ওজনের ছাগলের দাম পড়বে প্রতিটি ২০ হাজার টাকা।
ঢাকার মিরপুর কালশী ফ্লাইওভারের কাছে নির্দিষ্ট স্থানে ঈদের দিন গ্রাহক নিজে উপস্থিত থেকে কোরবানি দেখতে পারবেন। কোনো রকম ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই ফুড গ্রেড পলিতে মাংস (ভুঁড়ি আলাদাভাবে) বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
হারভেনো অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী এ কে এম মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এখানে সব খরচসহ কোরবানির প্রাণীর প্রতি প্যাকেজের মূল্য ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা, সব খরচসহ। প্রতি ভাগে ১৯-২১ কেজি মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরবানি ও মাংস প্রসেসিং ঈদের দিনেই সম্পন্ন করা হয়। ডেলিভারি চার্জ প্যাকেজ প্রতি ৫০০ টাকা।’
তবে হারভেনো অ্যাগ্রো গ্রাহকদের সরাসরি ফার্মে গিয়ে কোরবানি থেকে শুরু করে প্রস্তুত করা মাংস সংগ্রহ করে ঈদের আনন্দে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায়। দেশের বাইরে থেকে যাঁরা অর্ডার করবেন, তাঁরাও ভিডিও কলের মাধ্যমে সরাসরি দেখতে পারবেন কোরবানির কার্যক্রম।
গরু ও ছাগলের লাইভ ওয়েট বা সরাসরি প্যাক কোরবানিতে কাস্টমাইজড সেবা দিচ্ছে সেতারা ফার্ম। এর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং টিমে কর্মরত জামিল মিয়া জানান, প্যাকেজ হিসেবে নিলে কসাই এবং ডেলিভারি চার্জ প্যাকেজের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
মিরপুর শেওড়াপাড়া জামতলা পানির পাম্পের পাশে সেতারা ফার্ম। অনলাইনের পাশাপাশি যে কেউ সরাসরি এখানে এসেও কিনতে পারেন। প্যাকেজের বাইরে পুরো গরু একা কোরবানি দিয়ে মাংস প্রক্রিয়া করে নিতে খরচ হবে হাজারে ২০০ টাকা।
এখানে প্যাকেজ হিসেবে গরুর জন্য প্রতি প্যাকেজের দাম ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে ২১ হাজার ৮০০ টাকা, ২৩ হাজার ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ সাড়ে ২৬ হাজার টাকা।
ছাগলের ক্ষেত্রেই ১৫-১৭ কেজি ওজনের ছাগল সাড়ে ১৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩৫-৪০ কেজি ওজনের ছাগল ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত বুকিং নেওয়া হচ্ছে।
তুরফা ফুডস মূলত সুপার শপ। তবে প্রতিবছর কোরবানির সময় ঢাকায় কোরবানির প্রাণী সরবরাহ করে। স্বত্বাধিকারী কামরুল আম্বিয়া বলেন, ‘আমরা লাইভ ওয়েট হিসাব করে, অর্থাৎ ওজন হিসেবে প্রাণী বিক্রি করা থেকে শুরু করে কোরবানিসহ মাংস প্রস্তুত করার মতো সব রকম সুবিধা দিই।’
গরুর ক্ষেত্রে ২৫০ কেজি বা তার নিচের ওজনের দাম পড়ে প্রতি কেজি ৫০০ টাকা
২৫০ থেকে ৪০০ কেজি ওজনের গরুর দাম পড়ে কেজিপ্রতি সাড়ে পাঁচ শ টাকা
ছাগলের বেলায় ২৫ কেজি বা তার নিচের ওজনের ছাগলের দাম প্রতি কেজি ৭২০ টাকা
২৫–৪০ কেজি ওজনের ছাগলের দাম সাড়ে সাত শ টাকা প্রতি কেজি হিসেবে পুরো ছাগলের দাম নির্ধারিত হয়।
শেয়ারে কোরবানি দিতে চাইলে আছে তিনটি প্যাকেজ—১৫ হাজার, ২২ হাজার ও ৩০ হাজার টাকা। অনলাইনে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অর্ডার নেওয়া হয় ঈদের আগের রাত পর্যন্ত।
প্রাণী কোরবানি শেষে নিজস্ব কোল্ড-চেইন বা রেফ্রিজারেটেড ভ্যানে হোম ডেলিভারি দেয় তুরফা ফুডস।
কোরবানি করার পর প্রস্তুত করা মাংস ঈদের দিন সকাল থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ডেলিভারি নিলে সার্ভিস চার্জ পড়বে গরুর দামের প্রতি হাজারে ২০০ টাকা
দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে ডেলিভারি নিলে সার্ভিস চার্জ গরুর দামের প্রতি হাজারে ১৫০ টাকা
বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে নিলে ১০০ টাকা
ঈদের দ্বিতীয় দিন নিলে ৭০ টাকা
প্রতিটি ছাগলের প্রসেসিং খরচ পড়বে ঈদের দিন দেড় হাজার টাকা
ঈদের পরদিন ১ হাজার টাকা
ঢাকার মোহাম্মদপুরের বছিলায় প্রাকৃতিক খাবারে পালিত হয় খামার ফ্রেশের গবাদিপশু। এখানে গরুর ক্ষেত্রে প্রতি ৭ ভাগ শরিকের ১ ভাগ মূল্যের একেকটি প্যাকেজের মূল্য যথাক্রমে—
সাড়ে ১০ হাজার টাকা
১৬ হাজার টাকা
২২ হাজার টাকা
সঙ্গে যোগ হবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ। নির্ধারিত সার্ভিস চার্জের ভেতরেই স্লটারিং খরচ, কোরবানির আগপর্যন্ত গরুর খাওয়ার খরচ এবং ঢাকার মধ্যে ফ্রি হোম ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত আছে।
ঢাকার মোহাম্মদপুরের বছিলা গার্ডেন সিটিতে অবস্থিত এই খামার এবার কোনো রকম হিডেন চার্জ ছাড়াই সম্পূর্ণ ভুঁড়ি, কলিজা, মাথার মাংসসহ ৭ ভাগে সমবণ্টন করে হোম ডেলিভারির সুবিধা দিচ্ছে।
ঈদের প্রথম দিন তো বটেই, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও তাদের ডেলিভারি সেবা সচল থাকবে।
গরুর ক্ষেত্রে প্রতি ৭ ভাগ শরিকের ১ ভাগ মূল্যের একেকটি প্যাকেজের মূল্য—
২২ হাজার ৯০০ টাকা
২৯ হাজার ৯০০ টাকা
২২ হাজার টাকা
১১-১৫ কেজি ওজনের ছাগলের দাম পড়বে ২০ হাজার টাকা।
ঝামেলামুক্ত কোরবানি নিশ্চিত করতে মোহাম্মদপুরের বছিলা গার্ডেন সিটিতে অবস্থিত এই খামার এবারও সাত ভাগে কোরবানির সুযোগ দিচ্ছে। নির্ধারিত দামের বাইরে এখানে কোনো হিডেন চার্জ নেই।
গরুর ক্ষেত্রে—
৫০০ টাকা সার্ভিস চার্জসহ প্রতি ভাগ প্যাকেজ ২১ হাজার টাকা
২০–২৪ কেজি মাংস পাওয়া যাবে
ছাগলের ক্ষেত্রে—
২০ হাজার টাকা
১৩–১৫ কেজি মাংস পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া আস্ত গরু কেনার ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ চার্জ সাপেক্ষে সম্পূর্ণ স্লটারিং সুবিধা দেওয়া হয়। কোরবানি শেষে নিজস্ব ফ্রিজার ভ্যানের মাধ্যমে ফ্রি হোম ডেলিভারিও দেয়।
রামপুরার এই প্রতিষ্ঠান লাইভ ওয়েট সিস্টেমে ওজন মেপে এবং ৩টি শেয়ার প্যাকেজ—উভয় পদ্ধতিতেই বুকিং নিচ্ছে। তারা সরাসরি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির দেশি শাহিওয়াল গবাদিপশু এবং দেশি ছাগল সরবরাহ করে। লাইভ ওয়েট মূল্যতালিকায়—
২৫০ কেজি পর্যন্ত গরুর দাম প্রতি কেজি ৫০০ টাকা
২৫০ কেজির বেশি ওজনের গরুর দাম প্রতি কেজি সাড়ে পাঁচ শ টাকা
লাইভ ওয়েট মূল্যতালিকায় ২৫ কেজি ওজনের ছাগলের দাম ৭২০ টাকা প্রতি কেজি
২৫-৪০ কেজি ওজনের ছাগলের দাম সাড়ে সাত শ টাকা প্রতি কেজি
৪০ কেজির বেশি হলে দাম পড়বে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা
শেয়ার প্যাকেজের মধ্যে আছে—
১৫ হাজার টাকা
২২ হাজার টাকা
৩০ হাজার টাকার প্যাকেজ
প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই বুকিং শেষ পর্যায়ে চলে আসে। তাই শেষ মুহূর্তের বিড়ম্বনা এবং কসাইয়ের সংকট এড়াতে এখনই নিজের সুবিধাজনক প্যাকেজটি বেছে নিয়ে বুকিং সম্পন্ন করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।