সিনেমায় ববিতার বউয়ের সাজে একালের কনের সাজ, মিলিয়ে দেখুন

চরিত্রের প্রয়োজনে বিভিন্ন সিনেমায় বিয়ের কনে সেজেছেন অভিনেত্রী ববিতা। অভিনেত্রীরা যখন কনে সাজেন, সেই সাজে ধরা থাকে সময়টাও। বাংলা সিনেমার এই নায়িকার একটি সাজকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়েছে প্রথম আলোর জীবনযাপন টিম। যে সাজের কোনোটা হয়তো এখন অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে। কিন্তু কিছু বিষয় আবার ফিরেও এসেছে কনের সাজে। সেকালের মেকআপ, চুলের স্টাইল, গয়নার নকশা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে একালের কনে সাজলে কেমন লাগবে, তা–ই দেখার চেষ্টা করেছি আমরা। নুজহাত খান–এর তত্ত্বাবধানে পারসোনার মেকআপ আর্টিস্টরা সেই লুকটা রিক্রিয়েট করেছেন একালের মডেল ও অভিনেত্রী সায়রাকে দিয়ে। চলুন, দেখে নেওয়া যাক সেকালের সাজে একালের মডেলকে।

অভিনেত্রী ববিতার ‘টাকা আনা পাই’ সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭০ সালে। সে সময়ের ধনী পরিবারের কনের সাজ উঠে আসে ববিতার মাধ্যমে।
ববিতা বিয়ের সাজ
গলায় ভারী নকশার চোকার, কানে দুল, মাথায় টিকলি আর উঁচু করে বাঁধা খোঁপা দেখে সে সময়ের কনে সাজের একটা স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
ববিতার খোঁপায় সে সময় বেশ প্রচলিত জরির মালা। পাশাপাশি এই সিনেমায় বিয়ের সাজে মালা শাড়ি পরেছিলেন ববিতা। এই শাড়িও সে সময়ের জনপ্রিয় ও অভিজাত শাড়ি ছিল।
এখনকার কনের চুলের সাজেও থাকতে পারে জরির ব্যবহার। এই একটি অনুষঙ্গ ব্যবহার করেই পুরো সাজে ভিন্নতা আনা যায়। টিকলির নকশাটি খেয়াল করে দেখুন, ছিমছাম ও লম্বা। এখনকার কনে সাজের জন্য আদর্শ।
গলায় চোকার এ যুগের কনেরাও পছন্দ করছেন। অতটা ভারী না হলেও হালকা নকশার হতে পারে। সঙ্গে আরেকটি মালা দিয়ে স্তর তৈরি করা যায়। ববিতার সাজে মেকআপ ছিল বেশ হালকা। অনেক গয়না পরলেও অতিরিক্ত মনে হয়নি।
অতিরিক্ত সাজ আর গয়নায় অনেক সময় ব্যক্তিত্ব ঢাকা পড়ে যায়। এখানে সেটা ঘটেনি। এ যুগের কনেরাও এমন সাজ পছন্দ করেন।
এবার বলুন, একালের কনেকে কতটা ববিতার মতো করে তোলা গেল?