তখন পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে সারা দেশ উত্তাল। সেই আন্দোলনে ছাত্রসমাজের ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান বামপন্থী ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান। এই মৃত্যু উনসত্তরের গণ–আন্দোলনের অর্গল খুলে দেয়। আসাদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিন দিনের ধর্মঘট ডাকা হয়। তাঁর রক্তমাখা শার্ট নিয়ে বের হয় শোকের মিছিল। বিক্ষুব্ধ জনতা ছুটে যায় ঢাকার মোহাম্মদপুরের ‘আইয়ুব গেট’–এর সামনে। আইয়ুব গেটের নামফলক গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে রক্তের আকরে লিখে দেয়—‘আসাদ গেট’। আইয়ুব অ্যাভিনিউর নাম বদলে রাখা হয় ‘আসাদ অ্যাভিনিউ’ আর আইয়ুব পার্ক হয়ে যায় ‘আসাদ পার্ক’। ছাত্রদের হাতে গড়ে ওঠা এই গণ–আন্দোলন রূপ নেয় গণ–অভ্যুত্থানে। সারা দেশে তখন একটাই স্লোগান, ‘আসাদের মৃত্যু বৃথা যেতে দেব না।’ উনসত্তরের অগ্নিঝরা দিনগুলোতে আসাদ হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির মুক্তির দূত। আর তাঁর রক্তমাখা শার্ট হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের পতাকা। এই গণ–অভ্যুত্থান শেষে দেশ একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পথে ধাবিত হয়। আর এই পথ ধরেই আসে বাঙালির চূড়ান্ত বিজয়।
২০ জানুয়ারি, সোমবার। ছাত্র বিক্ষোভের চতুর্থ দিন। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ডাকা ধর্মঘট ঠেকাতে সরকার জারি করে ১৪৪ ধারা। সেই ধারা ভঙ্গ করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের আমতলায় এসে জড়ো হন। দুপুর ১২টার দিকে এক সংক্ষিপ্ত সভা শেষে প্রায় দশ হাজার ছাত্রছাত্রী ক্ষিপ্রগতিতে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান পুরান ঢাকার দিকে। সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে ছিলেন দৈনিক সংবাদের রশীদ তালুকদার, দ্য পাকিস্তান অবজারভারের [পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ অবজারভার] মোজাম্মিল হোসেন, দৈনিক পাকিস্তানের [পরবর্তী সময়ে দৈনিক বাংলা] গোলাম মাওলা, দৈনিক পূর্বদেশের মানু মুন্সী এবং দৈনিক আজাদের মোহাম্মদ জহিরুল হক, মোহাম্মদ আলমসহ আরও বেশ কয়েকজন আলোকচিত্রী। পুলিশ যেভাবে রাস্তার মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেয়, তাতে তাঁদের ধারণা হয় আজ কিছু একটা হবে।
১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান বামপন্থী ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান। এই মৃত্যু উনসত্তরের গণ–আন্দোলনের অর্গল খুলে দেয়। আসাদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিন দিনের ধর্মঘট ডাকা হয়। তাঁর রক্তমাখা শার্ট নিয়ে বের হয় শোকের মিছিল।
মিছিলটি যখন পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিসিন ইনস্টিটিউটের কাছে যায়, তখন পেছনের দিক থেকে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের লাঠিচার্জে মিছিলটি বিভক্ত হয়ে পড়ে। মিছিলের বড় অংশটি নাজিমুদ্দিন রোড দিয়ে সদরঘাটের দিকে চলে যায়। অপর অংশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে আটকা পড়ে। চানখাঁরপুলের রশীদ বিল্ডিংয়ের কাছে অবস্থানরত রায়টকার থেকে মিছিলকারীদের ওপর লাল পানি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। মিছিলকারীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারে। এভাবেই অনেকক্ষণ ধরে ছাত্র আর পুলিশের একটানা সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই সময় পুলিশের লাঠিচার্জে গুরুতর আহত হন অবজারভারের আলোকচিত্রী মোজাম্মিল হোসেন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে রেখে আবারও সংঘর্ষস্থলে ফিরে আসেন আলোকচিত্রীরা। তখন বেলা একটা। পুলিশের টিয়ার শেলও ফুরিয়ে আসে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের কাছে তখন তারা অনেকটাই কোণঠাসা আর অবরুদ্ধ। পরিস্থিতি বেসামাল। আসাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভকারী ছাত্ররা স্লোগান দিতে থাকে, ‘আইয়ুব শাহীর গদিতে, আগুন জ্বালাও একসাথে।’ এই সময় পুলিশের এক ইন্সপেক্টর রিভলবার দিয়ে খুব কাছ থেকে আসাদের বুকে গুলি করে। আসাদ সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলিতে আহত হন আরও তিন ছাত্র।
আসাদকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর সহযোদ্ধারা। রশীদ তালুকদার দৌড়ে গিয়ে মুহূর্তটা তোলেন। তাঁর ছবিতে আসাদের মুখ দেখা যায় না। তবে সংবাদচিত্র হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ। এই ছবি তুলে রশীদ তালুকদার যান মোজাম্মিল হোসেনের খোঁজ নিতে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ওখানেই শুনলেন আসাদের মৃত্যুর খবর। দ্রুত জরুরি বিভাগে গিয়ে তুললেন আসাদের মুখের ছবি। পরের দিন ছবিটা দৈনিক সংবাদের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হলো। একই পৃষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হলো পুলিশের গুলিবর্ষণ ও মোজাম্মিলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ছবিও। ওই দিন দৈনিক আজাদের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয় শহীদ আসাদের পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও মোজাম্মিলকে মাটিতে ফেলে নির্মমভাবে প্রহারের দৃশ্য।
আসাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভকারী ছাত্ররা স্লোগান দিতে থাকে, ‘আইয়ুব শাহীর গদিতে, আগুন জ্বালাও একসাথে।’ এই সময় পুলিশের এক ইন্সপেক্টর রিভলবার দিয়ে খুব কাছ থেকে আসাদের বুকে গুলি করে। আসাদ সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলিতে আহত হন আরও তিন ছাত্র।
আসাদের মৃত্যু, তিন ছাত্র গুলিবিদ্ধ ও পুলিশের লাঠিচার্জে ফটোসাংবাদিকের আহত হওয়ার ঘটনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্ররা শহীদ মিনারে জড়ো হতে শুরু করেন। শুরু হয় প্রতিবাদী মিছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেসামাল হয়ে পড়ে। পরের দিন ছাত্ররা পল্টন ময়দানে আসাদের গায়েবানা জানাজার আয়োজন করেন। সকাল থেকেই স্রোতের মতো মানুষ আসতে থাকে পল্টনের দিকে। ১টা ১৫ মিনিটে শুরু হয় জানাজা। জানাজা শেষে শুরু হয় গণমিছিল। মিছিলের অগ্রভাগে একটা উঁচু বাঁশের মাথায় আসাদের রক্তমাখা শার্টের লাল ঝাণ্ডা। জ্বলন্ত মেঘের মতো সেই শার্ট উড়ছে আকাশের নীলিমায়। সবার হাতে হাতে কালো পতাকা, রক্তে আঁকা ফেস্টুন আর বুকে কালো ব্যাজ। এই পাগলপারা জনস্রোতকে ঠেকানোর সাধ্য কার!
সেদিন প্রায় এক লাখ লোকের এই মিছিল ঢাকা শহর প্রদক্ষিণ করে। ছাত্র-ছাত্রী, কিশোর-কিশোরী, শিল্পী-সাহিত্যিক, শিক্ষক-সাংবাদিক, শ্রমিক-কর্মচারী, ব্যবসায়ী–দোকানদার, আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সব শ্রেণির নাগরিক যোগ দেন মিছিলে। ঢাকায় এত বড় গণমিছিল এর আগে দেখেনি কেউ। মিছিলটি যখন আউটার স্টেডিয়ামের গেট দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়, তখন নিচ থেকে মিডিয়াম ফরম্যাট ক্যামেরায় বিশাল আকাশটা ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে আসাদের শার্টের ছবি তোলেন রশীদ তালুকদার। এরপর অন্য ফটোসাংবাদিকদের সঙ্গে তিনিও মিছিলটির পিছু নেন।
আসাদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা হল [বর্তমানে শহীদুল্লাহ হল] শাখার সভাপতি এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মেনন গ্রুপ] ঢাকা শাখার সাধারণ সম্পাদক। তাঁর পুরো নাম আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
সেদিনের গণমিছিলের দৃপ্ত পদভারে ও বজ্র-নির্ঘোষ আওয়াজে ঢাকার আকাশ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। মিছিল যতই আগাতে থাকে তার কলেবর ততই বৃদ্ধি পেতে থাকে। রাস্তার ধারের বাড়িঘরগুলোর ছাদ ও জানালা থেকে বৃষ্টির মতো ফুল ছিটানো হয়। মিছিলটি নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে গগনবিদারী আওয়াজ তুলছিল। এ সময় কারাপ্রাচীরের ভেতর থেকে রাজবন্দীরা মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে ফুল ছুড়তে থাকলে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। এই গণমিছিল সেদিন বাঙালি জাতিকে এক অপূর্ব আত্মশক্তিতে উদ্দীপ্ত করে তোলে।
মিছিলটি পল্টন ময়দান থেকে নবাবপুর রোড, ইসলামপুর, চকবাজার, রহমতগঞ্জ, জেলগেট, শহীদ মিনার, পলাশী, আজিমপুর, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, শাহবাগ হয়ে সাড়ে ৪টার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে এসে শেষ হয়। মিছিলে ‘শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘রাজবন্দীদের মুক্তি চাই’, ‘ছাত্রবন্দীদের মুক্তি চাই’, ‘১৪৪ ধারা মানি না’, ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিতে হবে’, ‘রক্ত শপথ গ্রহণ করো’, ‘বিনা বিচারে আটক করা চলবে না’, ‘বুনিয়াদী নির্বাচন বয়কট করো’, ‘প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার দিতে হবে’, ‘১১ দফা মানতে হবে’, ‘আইয়ুবশাহী খতম করো’ নানা ধ্বনিতে মুখরিত হয়। পুলিশ সেদিন মিছিলে বাধা দেওয়ার সাহস দেখায়নি। তবে সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারকে মিছিলের ওপর দিয়ে উড়তে দেখা যায়।
আসাদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা হল [বর্তমানে শহীদুল্লাহ হল] শাখার সভাপতি এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মেনন গ্রুপ] ঢাকা শাখার সাধারণ সম্পাদক। তাঁর পুরো নাম আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। জন্ম ১৯৪২ সালের ১০ জুন নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামে। নরসিংদীর শিবপুর, হাতিরদিয়া ও মনোহরদী এলাকায় শক্তিশালী কৃষক সংগঠন গড়ে উঠেছিল তাঁরই নেতৃত্বে।
রশীদ তালুকদারের ছবি দেখে কবি শামসুর রাহমান লেখেন কালজয়ী এক কবিতা—‘আসাদের শার্ট’। এ কবিতায় তিনি আসাদের শার্টকে দেখেছেন ‘আমাদের প্রাণের পতাকা’ হিসেবে। আর শার্টের বোতামকে উপমা দিয়েছেন নক্ষত্রের মতো বলে। শামসুর রাহমান লিখেছেন—‘আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা/ সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;/ আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।’
একই পটভূমিতে কবি হেলাল হাফিজ লেখেন, ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’—‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/ এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’
কবি আল মাহমুদ লিখেছেন, ‘ট্রাক! ট্রাক! ট্রাক! শুয়োরমুখো ট্রাক আসবে/ দুয়োর বেঁধে রাখ।/ কেন বাঁধবো দোর জানালা/ তুলবো কেন খিল?/ আসাদ গেছে মিছিল নিয়ে/ ফিরবে সে মিছিল।’
আসাদের মৃত্যু উনসত্তরের গণ–অভ্যুত্থানকে কতখানি প্রভাবিত করেছিল, তার একটি চিত্র পাওয়া যায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসে। আসাদের শার্ট নিয়ে অবিস্মরণীয় মিছিল প্রসঙ্গে ইলিয়াস লিখেছেন, ‘কালো কালো হাজার হাজার মাথা এগিয়ে আসছে অখণ্ড স্রোতোধারার মতো। এই বিপুল স্রোতোধারার মধ্যে ঘাই মারা রুই কাতলার ঝাঁক নিয়ে গর্জন করতে করতে এগিয়ে আসছে কোটি ঢেউয়ের দল। গলি-উপগলি ভরা কেবল মানুষ। দুই পাশের বাড়িগুলোর ছাদ পর্যন্ত মানুষ। গলি-উপগলি থেকে স্রোত এসে মিশে মূলধারার সঙ্গে, মানুষ বাড়ে; নাবাবপুর সামলাতে পারে না।’
ইলিয়াস লেখেন, ‘ঢাকায় কি এত লোক বাস করে? মনে হয় ঢাকা শহর তার ৩৫০/৪০০ বছরের বুড়ো হাবড়া, রোগা পটকা লোনা-ধরা গতর ঝেড়ে উঠে ছুটতে শুরু করেছে সামনের দিকে।...দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা তার শীর্ণ তনু একেবারে নিচে ফেলে উঠে এসেছে বিপুল স্ফীত হয়ে। বুড়িগঙ্গার অজস্র তরঙ্গরাশির সক্রিয় অংশগ্রহণ না হলে কি এমন জলদমন্দ্র ধ্বনি উঠতে পারে, “আসাদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না”।’
উনসত্তরের উত্তাল সময়কে ধারণ করে হুমায়ূন আহমেদ ‘মাতাল হাওয়া’ নামে একটি উপন্যাস লেখেন। বইটি তিনি শহীদ আসাদকে উৎসর্গ করেন। উৎসর্গপত্রে হুমায়ূন আহমেদ লেখেন, ‘কোনো মৃত মানুষ মহান আন্দোলন চালিয়ে নিতে পারেন না। একজন পেরেছিলেন। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তার রক্তমাখা শার্ট ছিল উনসত্তরের গণ–আন্দোলনের চালিকা শক্তি।’