চিঠি
চিঠি

চিঠিপত্র

যমুনা এক্সপ্রেস নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই

ঢাকা-তারাকান্দি-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ৭৪৫/৭৪৬ নং যমুনা এক্সপ্রেস এখন যাত্রীদের কাছে একধরনের প্রহসনে পরিণত হয়েছে। অভিযোগের শেষ নেই এই ট্রেনকে ঘিরে।

প্রথমত, ট্রেনটির বগি ও আসনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। শৌচাগারের অবস্থা নাজুক। পুরো ট্রেনের চেহারাই বেসরকারি কমিউটার বা লোকাল ট্রেনের মতো। কোনো এসি বগি নেই। ফলে প্রথম শ্রেণির যাত্রীরাও ভোগান্তির শিকার হন। স্নিগ্ধা বা এসি চেয়ার কোচ না থাকলেও এফ-চেয়ার বা প্রথম শ্রেণির চেয়ার কোচ রয়েছে, তবে সেটিও লোকাল ট্রেনের মতো ভিড়ে ঠাসা। দাঁড়িয়ে যাতায়াত করলেও কেউ তা ঠেকায় না। অথচ যাত্রীরা উচ্চ ভাড়া ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিয়েও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ পান না।

দ্বিতীয়ত, ট্রেনটি প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিলম্বে আসে-যায়। আন্তনগর ট্রেন হয়েও প্রায়ই যত্রতত্র ক্রসিংয়ের অজুহাতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এমনকি যেখানে স্টপেজ নেই, সেসব স্টেশনেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।

এ অবস্থায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ—যমুনা এক্সপ্রেসে দ্রুত মানসম্মত বগি প্রতিস্থাপন করা হোক, এসি বগি সংযোজন করা হোক। ট্রেনটি যেন সময় মেনে চলাচল করে।

তুফান মাজহার

শ্রীপুর, গাজীপুর