কক্সবাজারের সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সরকারি জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন বিভাগে দুর্নীতি ও অনিয়ম লক্ষ করা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। মানুষের জায়গাজমি সংক্রান্ত সমস্যা, নির্বাচন কমিশনের অফিসে নতুন ভোটারদের হয়রানি, সমাজসেবা বিভাগের অফিসে ঘুষ-বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ আছে।
মানুষের পারিবারিক ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বিভাগে অভিযোগ দায়ের করলে ভুক্তভোগীদের উল্টো আরও বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয়।
তদন্তের জন্য ভুক্তভোগী ও অপরাধীর ঠিকানায় গেলে আইনশৃঙ্খলা বিভাগের সদস্যরা যাতায়াত খরচ, নাশতা এবং সম্মানী দাবি করেন, যা নিতান্তই অসাংবিধানিক ও অনিয়মের মধ্যে পড়ে। এসব দুর্নীতিগ্রস্ত কাজের সঙ্গে জড়িত থাকেন থানার উচ্চপদস্থ তদন্ত কর্মকর্তা, এসআই ও অন্য কর্মচারীরাও। স্থানীয় রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণে দালাল চক্র ছড়িয়ে পড়েছে দ্বীপের প্রশাসনিক অফিস থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত।
থানায় সাধারণ ডায়েরি করার জন্য এলে, সেখানে ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকা সত্ত্বেও ডিউটি অফিসাররা দায়িত্বের প্রতি অবহেলা করেন। আর বাইরের প্রিন্টের দোকান থেকে সাধারণ ডায়েরি পত্র (জিডি) নিয়ে এসে জমা দিতে গেলে ভুক্তভোগীর ঠিকানায় উপস্থিত হয়ে তদন্তের পরিবর্তে মোটা অঙ্কের সম্মানী দাবি করেন।
সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের প্রতি আহ্বান, অবিলম্বে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগে দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত ব্যক্তি, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হোক।
আব্দুল্লাহ নাজিম আল মামুন
কুতুবদিয়া, কক্সবাজার