রাজধানীর হাতিরপুলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে গণসংহতি আন্দোলন
রাজধানীর হাতিরপুলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে গণসংহতি আন্দোলন

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়লেন প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি

ক্ষমতাসীন বিএনপির জোটসঙ্গী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছেড়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তবে দলটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে থাকছেন তিনি। জোনায়েদ সাকির স্থলে গণসংহতির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়েছে দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ও প্রবীণ কৃষক নেতা দেওয়ান আবদুর রশিদকে (নীলু)।

আজ শনিবার রাজধানীর হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান। দলীয় প্রধান ও সরকারের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একই সঙ্গে পালন না করার নীতিগত জায়গা থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান এই নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকিও কথা বলেন। প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়লেও গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ, মনির উদ্দীন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভুইয়া, দীপক কুমার রায়, তরিকুল সুজন, জাহিদ সুজন, বেনু আক্তার, তাহসিন মাহমুদ, আবু রায়হান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২০০২ সালের ২৯ আগস্ট বেশ কয়েকটি গণসংগঠনের ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়। ২০১৫ সালে দলের তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে গণসংহতি আন্দোলন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে দলটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে ৫৫ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়। এতে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনে জয়লাভ করেন জোনায়েদ সাকি। পরে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায়ও জায়গা পান এই নেতা।