ক্রিস গেইল ও ডেভিড ওয়ার্নার
ক্রিস গেইল ও ডেভিড ওয়ার্নার

টি–টোয়েন্টিতে ৫০‍+ ইনিংস সবচেয়ে বেশি কার

বয়স ৩৯ ছাড়িয়েছে। সেরা সময় পেরিয়েও এসেছেন। এরপরও ব্যাট হাতে ঠিকই রান করে যাচ্ছেন ডেভিড ওয়ার্নার। চলতি বিগ ব্যাশে সিডনি থান্ডারের হয়ে সর্বশেষ তিন ম্যাচেই পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলেছেন।

বিগ ব্যাশে গত ৩ জানুয়ারি অপরাজিত ১৩০ রানের ইনিংস খেলার পর ৬ জানুয়ারির ম্যাচেও অপরাজিত ছিলেন ৬৭ রানে। আজ ব্রিসবেনে ব্রিসবেন হিটের বিপক্ষে করলেন ৮২ রান।

টানা তিনটি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংসে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ওয়ার্নারের ফিফটি-প্লাস ইনিংস-সংখ্যা দাঁড়াল ১২৪। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এর চেয়ে বেশি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস নেই আর কোনো ব্যাটসম্যানের। শীর্ষ পাঁচে ওয়ার্নারের সঙ্গে আর কারা আছেন?

ওয়ার্নারের পরের নামটা বিরাট কোহলির। ভারতীয় এই তারকার পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস ১১৪টি। ওয়ার্নারের চেয়ে কোহলি ইনিংসও কম খেলেছেন। ওয়ার্নার খেলেছেন ৪৩০ ইনিংস, কোহলি ৩৯৭। তিনে ক্রিস গেইল। ৪৫৫ ইনিংসে গেইলের পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস ১১০টি।

পাকিস্তান তারকা বাবর আজমের পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস ১০৮টি। বাবর শীর্ষ পাঁচে থাকা সব ব্যাটসম্যানের চেয়ে কম ইনিংস খেলেছেন। বাবর খেলেছেন ৩২৪ ইনিংস। পাঁচে থাকা ইংলিশ তারকা জস বাটলার ৪৫০ ইনিংসে ১০৬টি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলেছেন।

এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি গেইলের—২২টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাবরের ১১টি।
বাংলাদেশের হয়ে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস তামিম ইকবালের। ৫৯টি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস আছে তামিমের, এর মধ্যে তামিমের সেঞ্চুরি ৪টি।