৩৮ রান করার পথে সাকিব
৩৮ রান করার পথে সাকিব

হঠাৎ দেখা গেল অলরাউন্ডার সাকিবকে

রান করা অনেকটাই ভুলেই গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। শারজায় আইএল টি-টোয়েন্টিতে কালকের আগে খেলা ৯টি ম্যাচের মধ্যে (টি-টোয়েন্টি, টি–টেন মিলিয়ে) ৫টিতে ব্যাটিংয়ের সুযোগই পাননি সাকিব। এ সময়ে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ২৯ রানের, সেটি এসেছিল কানাডা সুপার সিক্সটি টুর্নামেন্টে গত অক্টোবরে।

কাল অবশেষে ব্যাটসম্যান সাকিবকে দেখা গেল। আইএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আবু ধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মুম্বাই এমিরেটসের হয়ে ২৪ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব।

৩৮ রানের ইনিংস খেলার আগে বোলিংয়ে ৪ ওভারে ২০ রান দেন সাকিব। বোলিংয়ে ইনিংস ওপেন করেন, পাওয়ারপ্লেতে করেছেন দুই ওভার। উইকেট না পেলেও দারুণ বোলিং করেন।

ব্যাটে–বলে পারফর্ম করে মুম্বাইয়ের ৭ উইকেটের জয়ে হয়েছেন ম্যাচসেরাও। এবারের আসরে সাকিব নিয়মিত ৪ ওভার বোলিংও করতে পারেননি। কাল নিজের সপ্তম ম্যাচে তৃতীয়বারের মতো পুরো বোলিং কোটা শেষ করতে পেরেছেন।

ব্যাট হাতে সাকিবের ইনিংস খুব বড় না হলেও কার্যকর ছিল। ১২১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে ৭.১ ওভারে ৩৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বাই। সেখান থেকে সাকিব ও টম ব্যান্টন ৫৩ বলে ৮২ রানের জুটি গড়ে দলকে ফাইনালে তোলেন।

জুটিতে সাকিবই ছিলেন আক্রমণাত্মক ভূমিকায়। ব্যাটিং করেছেন ১৫৮.৩৩ স্ট্রাইকরেটে। সাকিব যখন আউট হন ততক্ষণে খেলা শেষ বললেই চলে, দলীয় ১১৮ রানে ফেরেন তিনি। ব্যান্টন ৫৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

টি-টোয়েন্টিতে কাল ৪৬ বারের মতো ম্যাচসেরা হন সাকিব

আগামীকাল ফাইনালে সাকিবের দল খেলবে ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে।
টি-টোয়েন্টিতে কাল ৪৬ বারের মতো ম্যাচসেরা হন সাকিব। সাকিবের চেয়ে টি-টোয়েন্টিতে বেশি ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনজন—ক্রিস গেইল (৬০), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৪৮), কাইরন পোলার্ড (৪৮)।

এই টুর্নামেন্টে সাকিব আরও একবার ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। গত ২১ ডিসেম্বর ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।