
নাহিদ রানার ভিত্তিমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি। এই ফাস্ট বোলারকে কেনেনি কোনো দল।
৫ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে রাওয়ালপিন্ডি কিনেছে অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ আমিরকে।
পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা ৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছেন। নিলামে তাঁকে কিনেছে করাচি কিংস। ফখর জামানকে কিনেছে লাহোর। তাঁর দাম উঠেছে ৭ কোটি ৯৫ লাখ পাকিস্তানি রুপি।
নিলামে সাকিবের ভিত্তিমূল্য ছিল ৪ কোটি ২০ লাখ পাকিস্তানি রুপি। তাঁকে নিয়ে কোনো দল আগ্রহ দেখায়নি।
রিশাদ হোসেন বিক্রি হলেন ৩ কোটি পাকিস্তানি রুপিতে। তাঁকে কিনেছে রাওয়ালপিন্ডি।
নিলামে রিশাদের ভিত্তিমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি। করাচির সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডিই পেয়েছে রিশাদকে। গত মৌসুমে রিশাদ খেলেছেন লাহোরের হয়ে। উইকেট নিয়েছিলেন ১৩টি।
৫ কোটি ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে পিএসএলের নতুন দল শিয়ালকোটে খেলবেন পাকিস্তান ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান।
পাকিস্তানি পেসার নাসিম শাহর দাম উঠল ৮ কোটি ৬৫ লাখ পাকিস্তান রুপি। তাঁকে কিনেছে রাওয়ালপিন্ডি। এটি পিএসএল নিলামের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মূল্য।
লাহোর কালান্দার্স ৭ কোটি ৬০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে হারিস রউফকে কিনেছে। পিএসএলে শুরু থেকেই লাহোরের হয়েই খেলেছেন হারিস রউফ। সব মিলিয়ে এই দলটির হয়ে ৭০টি ম্যাচ খেলেছেন হারিস রউফ।
ডেভিড ওয়ার্নারকে ৭ কোটি ৯০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে দলে নিল করাচি কিংস। পেশোয়ার জালমির সঙ্গে দীর্ঘ সময় লড়াই করে ওয়ার্নারকে দলে নিতে পেরেছে করাচি।
মিরাজের ভিত্তিমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ পাকিস্তান রুপি। তবে নিলামে তাঁকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল।
৮ কোটি ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফকে কিনল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। তাঁর ভিত্তিমূল্য ছিল ৪ কোটি ২০ লাখ পাকিস্তানি রুপি। পিএসএলের ইতিহাসে ফাহিমই প্রথম নিলামে বিক্রি হওয়া ক্রিকেটার।
পিএসএল নিলাম সম্পর্কে জানতে পড়ুন...
পিএসএল নিলামে স্বাগতম। এবার প্রথমবারের মতো পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) দেখা যাচ্ছে নিলাম পদ্ধতি। নিলামের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন ৯০৩ জন ক্রিকেটার। এর মধ্যে বাংলাদেশি আছেন ৫৩ জন।