রশিদ খান যখন ক্রিজে আসেন আফগানিস্তানের দরকার ছিল ২৯ বলে ৪৯। ১৭ ওভার শেষে সেই রশিদের ব্যাটে ভর করেই লড়াইয়ে ভালোভাবে টিকে আছে আফগানিস্তান। শেষ ১৮ বলে আফগানিস্তানের চাই ৩০ রান।
আপডেট: এনগিডির করা ১৮তম ওভারে ক্যাচ দিয়ে আউট ওমরজাই (২২)। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমান। শেষ দুই ওভারে ২৪ রান চাই আফগানিস্তানের। রশিদ ৯ বলে ১৬ রানে অপরাজিত।
এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচ জেতাতে যিনি অভ্যস্ত, সেই মোহাম্মদ নবীকেই ১৬তম ওভারের প্রথম বলে হারাল আফগানিস্তান। লিন্ডের বলে আকাশে ক্যাচ তুলে ৬ বলে ৫ রানে ফিরলেন নবী।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান রশিদ খান।
আফগানিস্তান: ১৫ ওভারে ১৩৯/৫। শেষ ৫ ওভারে দরকার ৪৯ রান। হাতে ৫ উইকেট। ক্রিজে মোহাম্মদ নবী (৫) ও আজমতউল্লাহ (১৩)।
আফগানিস্তান কি পারবে?
আফগানিস্তান: ১৩ ওভারে ১২১/৫
(১২.৩ ওভারে) শর্ট থার্ডম্যানে জর্জ লিন্ডে ডাইভ দিয়ে ক্যাচটি নেওয়ার পর হতাশায় ক্রিজেই বসে পড়লেন গুরবাজ। অসাধারণ ব্যাটিংয়ের এমন সমাপ্তি! মানতে পারছিলেন না আফগান ওপেনার। ৭ ছক্কা ও ৪ চারে ৪২ বলে ৮৪ রানে আউট হলেন গুরবাজ।
আফগানিস্তানের আসল পরীক্ষা শুরু এখন। কিন্তু এক বল পরই রান আউট দারউইশ রাসুলি (১৫)! বিপদে আফগানিস্তান।
ক্রিজে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মোহাম্মদ নবী। জয়ের জন্য ৪২ বলে ৬৭ রান দরকার আফগানিস্তানের। হাতে ৫ উইকেট। নবী কি পারবেন?
১০ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ৩ উইকেটে ৯৩। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে তাদের দরকার ৯৫ রান।
গুরবাজ ৩৩ বলে ৬৩ এবং দারউইশ ১২ বলে ৯ রানে অপরাজিত।
আফগানিস্তান: ৯ ওভারে ৮৪/৩।
গুরবাজ ৫৬ ও দারউইশ ৭ রানে অপরাজিত।
ভালো শুরুর পরও দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান হয়তো পিছু হটেছে। কিন্তু গুরবাজকে কেউ থামাতে পারেননি এখনো। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে জর্জ লিন্ডেকে ছক্কা মেরে ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন গুরবাজ। তার এক বল আগেও মেরেছেন ছক্কা। আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে তাঁর ১৩ তম ফিফটি।
আফগানিস্তান: ৭ ওভারে ৬৪/৩।
পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৪৩। আফগানিস্তান তাদের ইনিংসে ৬ ওভার শেষে তুলেছে ৩ উইকেটে ৫৬। অথচ ৪ ওভার শেষে তাঁদের স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ৫০।
গুরবাজ ৪১ ও দারউইশ ৪ রানে অপরাজিত।
ওদিকে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নিলাম শুরু হয়েছে। এবারই প্রথম ড্রাফটের বদলে নিলাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চোখ রাখতে পারেন নিলাম নিয়ে প্রথম আলোর লাইভে।
পিএসএলের নিলাম সমন্ধে জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে—
পিএসএল নিলাম কীভাবে হবে, বাংলাদেশের কারা আছেন, কার ভিত্তিমূল্য কত
ষষ্ঠ ওভারে কাগিসো রাবাদার দ্বিতীয় বলে শর্ট ফাইন লেগে সেদিকুল্লাহ আতালের দারুণ ক্যাচ নেন মার্কো ইয়ানসেন। ৩ বলে ০ রানে ফিরলেন তিনি।
৭ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে আফগানিস্তান।
আফগানিস্তান: ৫.২ ওভারে ৫২/৩। পানি পানের বিরতি।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান দারউইশ রাসুলি। গুরবাজ ১৭ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত।
আফগানিস্তান: ৫ ওভারে ৫১/২।
দ্রুত রান তুলতে পারছিলেন না। প্রোটিয়া স্পিনার জর্জ লিন্ডেকে চতুর্থ ওভারে ক্রিজ ছেড়ে এসে একটি ছক্কা মেরেছেন। তার এক বল আগে একটি চার মেরেছেন। কিন্তু পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে জাদরানকে (১০ বলে ১২) বোল্ড করেন প্রোটিয়া পেসার এনগিডি। এক বল পর গুলবদিন নাইবকেও (০) নিজের ক্যাচে পরিণত করেন এনগিডি।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান সেদিকুল্লাহ আতাল। গুরবাজ ১৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত।
আফগানিস্তান: ৩ ওভারে ৩৩/০।
গুরবাজ ২৫*, জাদরান ২*।
লুঙ্গি এনগিডির প্রথম ওভারে ১৩ রান নিয়েছে আফগানিস্তান। দুটি চার মারেন আফগান ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ। এর মধ্যে একটি উদ্ভাবনী পিক আপ শট।
পরের ওভারে মার্কো ইয়ানসেনকে র্যাম্প শটে ছক্কা মারেন গুরবাজ। কাগিসো রাবাদার করা তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে একটু সরে গিয়ে থার্ডম্যান দিয়ে ছক্কা মারেন গুরবাজ। দারুণ শট!
প্রোটিয়াদের তিন পেসারকে প্রথম তিন ওভারেই মোক্ষম জবাব দিয়েছেন দুই আফগান ওপেনার।
১২ ওভার শেষ দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১ উইকেটে ১২৪। সেখান থেকে ২০০ রান হওয়াটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে শেষদিকে দারুণ বোলিং করেছে আফগানিস্তান। শেষ ৮ ওভারে তারা রান খরচ করেছে মাত্র ৬৩।
ওমরজাই ৩টি, রশিদ উইকেট নিয়েছেন দুটি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ফিফটি করেছেন রিকেলটন ও ডি কক।
৫৯ রানের ইনিংস খেলার পথে ডি কক টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ রান (৭৩৭) তোলার কীর্তি গড়েছেন। ছাড়িয়ে গেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্সকে।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৮ ওভারে ১৫৯/৫
১৯ বলে ২৩ রান করে ওমরজাইর বলে ফিরেছেন ব্রেভিস। একই ওভারের শেষ বলে আউট হয়েছেন স্টাবসও। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং ইনিংসে ওভার বাকি দুটি। তাদের ভরসা এখন মিলার।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৩ ওভারে ১২৭/৩
এক ওভারে রশিদ ফেরালেন ফিফটি করা দুই ব্যাটসম্যান ডি কক ও রিকেলটনকে। ডি কক ফিরেছেন ক্যাচ দিয়ে, রিকেলটন হয়েছেন এলবিডব্লিউ।
৫৯ রান করেছেন ডি কক, ৬১ রান রিকেলটন। ৩ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন রশিদ।
৩৪ বলে ফিফটি করেছেন ডি কক। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি তাঁর পঞ্চম ফিফটি। একই ওভারে ২৩ বলে ফিফটি করেছেন রিকেলটনও।
দুজনের জুটি থেকে এসেছে শতরানও।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১০ ওভারে ৯৮/১
দারুণ খেলছেন ডি কক ও রায়ান রিকেলটন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দুজনে গড়েছেন অবিচ্ছিন্ন ৮৬ রানের জুটি, তাও ৪৫ বলে। ইনিংসের দশম ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে আসা স্পিনার নুর আহমেদের এক ওভার থেকেই তুলেছেন ২২ রান।
রশিদ খান ২ ওভারে খরচ করেছেন ২১। ডি কক ও রিকেলটন দুজনেই আছেন ফিফটির কাছাকাছি।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৬ ওভারে ৪৩/১
পাওয়ার প্লেতে খুব একটা খারাপ করেনি আফগানিস্তান। ৬ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলতে পেরেছে ৪৩ রান, হারিয়েছে মার্করামের উইকেট। তবে আফগানদের মাথাব্যাথার কারণ হতে পারে কুইন্টন ডি কক। ১৮ বলে ২৫ রানে অপরাজিত আছেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২.৩ ওভারে ১২/১
ফজলহক ফারুকির বলে শুরু থেকেই স্ট্রাগল করছিলেন মার্করাম। শেষ পর্যন্ত তাঁর বলেই উইকেট দিয়েছেন। ফারুকির স্লোয়ারে ৫ রান করে মিড অফে মোহাম্মদ নবীর হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।
গ্রুপ ‘ডি’ র এই ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ।
রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), ইব্রাহিম জাদরান, গুলবদিন নাইব, সেদিকুল্লাহ আতাল, দারউইশ রাসুলি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান (অধিনায়ক), নুর আহমেদ, ফজলহক ফারুকি ও মুজিব উর রহমান।
আফগানিস্তান দলে তিনজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার। এক বিশেষজ্ঞ পেসার এবং পেস বোলিং অলরাউন্ডার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে তারা।
এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), কুইন্টন ডি কক (উইকেটকিপার), রায়ান রিকেলটন, ডেভাল্ড ব্রেভিস, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, জর্জ লিন্ডে, কাগিসো রাবাদা, কেশব মহারাজ ও লুঙ্গি এনগিডি।
টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ে আফগানিস্তান। আহমেদাবাদের এই মাঠ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের উইকেট আফগানিস্তান অধিনায়ক রশিদ খানের চেনা। আইপিএলে গুজরাট টাইটানসের ঘরের মাঠ এটি—এই দলের হয়ে খেলেছেন রশিদ খান।
জিয়া–উর রহমানের জায়গায় নুর আহমেদকে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে আফগানিস্তান।
দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক এইডেন মার্করামও জানিয়েছেন, টসে জিতলে তিনিও আগে ফিল্ডিং নিতেন। তাঁর দলেও একটি পরিবর্তন—করবিন বশের জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন জর্জ লিন্ডে।
সুপার এইটে ওঠার স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচটি জিততেই হবে আফগানিস্তানকে। ‘ডি’ গ্রুপে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে নিউজিল্যান্ড (১.৯১৯)। দ্বিতীয় দক্ষিণ আফ্রিকার (২.৮৫০) দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১ ম্যাচে ২ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আফগানিস্তান (–১.১৬২)।
আজ হেরে পরে কানাডা ও আরব আমিরাতের বিপক্ষে জিতলেও সুপার এইটে ওঠার স্বপ্ন অধরা থেকে যেতে পারে আফগানিস্তানের।
২০২৪ সালে সর্বশেষ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই হেরেছিল আফগানিস্তান। টি–টুয়েন্টিতে এ পর্যন্ত তিনবার দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই হেরেছে আফগানিস্তান।
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ আহমেদাবাদে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা।
কানাডার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৫৭ রানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আফগানিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটে হেরেছে আফগানিস্তান।