ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরেছিলেন নভেম্বরে। এক মাস পর আবার বিগ ব্যাশ খেলতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিমানে ওঠার আগমুহূর্তে খবর পান দুই বছর বয়সী মেয়ে স্ট্রোক করেছে।
সন্তানকে নিয়ে ভয়ংকর এই অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছিলেন ইংলিশ পেসার টাইমাল মিলস। ৩০ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসারকে সেদিন বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে দৌড়াতে হয়েছিল। ১১ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে আজ ফিরতে পেরেছেন বাসায়।
গত কিছুদিন কী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেটির বর্ণনা দিতে গিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন মিলস।
যে খবর শুনে বিমানবন্দর থেকে ফিরে এসেছিলেন, সেটি জানাতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করব, এমন সময়ে মেয়ের অসুস্থতার খবর পাই, যেটি পরে স্ট্রোকে রূপ নেয়। ওর শরীরের বাঁ পাশ পুরোপুরি অবশ হয়ে যায়। (চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে) আমাদের জানানো হয়, অবশ হয়ে যাওয়া অংশ কতটুকু সচল হবে, সেটি তাঁরা বলতে পারছেন না।’
মিলস ও কেট ম্যাকলাভেন দম্পতির দুটি সন্তান। দুই বছর বয়সী ডেলফি বড়। দ্বিতীয়জনের জন্ম মিলস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সময়। ছোট মেয়ের বয়স দেড় মাস থাকাবস্থায় বড় মেয়ের স্ট্রোক ভয়ানক মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলে দেয় মিলস-ম্যাকলাভেন দম্পতিকে।
তবে চিকিৎসকদের অনেক প্রচেষ্টার পর বিপদ থেকে আপাতত উদ্ধার মিলেছে। ছাড়পত্র মিলেছে বাসায় যাওয়ারও। মিলস বলেন, ‘বিপুল চ্যালেঞ্জ থাকলেও সবাইকে অবাক করে আমাদের মেয়েটি বাসায় নিয়ে যাওয়ার মতো সেরে উঠেছে। ওকে প্রচুর পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হবে এবং ওষুধ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন যে অবস্থায় আছে, তাতেই আমরা কৃতজ্ঞ।’
মা-বাবার হাত ধরে হাসপাতালের বারান্দা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ছোট্ট ডেলফি, এমন একটি ছবি পোস্ট করে মিলস লিখেছেন, ‘সবচেয়ে ভয়ানক ১১ দিনের পর ক্রিসমাসের ছুটিতে আমরা বাড়িতে যাচ্ছি।’