
ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রথমার্ধটা হতাশারই কেটেছে বাংলাদেশের। একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়েও রক্ষা হয়নি হাভিয়ের কাবরেরার দল। উল্টো হজম করেছে তিন গোল।
হ্যানয়ের হ্যাং ডে স্টেডিয়ামে আজ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচটির অষ্টম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ভিয়েতনামের ডিফেন্ডার শুয়ং তিয়েন আইনের কর্নার থেকে শট নেওয়ার চেষ্টা করেন পাম তুন হাই। কিন্তু তিনি বলের নাগাল পাওয়ার আগেই বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জায়ান আহমেদ উল্টো বিপদ ডেকে আনেন। বাংলাদেশি এই ডিফেন্ডারের পা থেকেই বল চলে যায় জালে।
১৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিয়েতনামের প্যাম চুন মান। কর্নার থেকে উড়ে আসা শুয়ং তিয়েনের বাঁকানো শট হেডে জালে জড়ান এই লেফটব্যাক। ৩১ মিনিটে নগুয়াইন হাই লংয়ের শট দারুণ প্রচেষ্টায় থামিয়ে দেন গোলকিপার মেহেদী।
৩৮ মিনিটে আর থামানো যায়নি হাই লংকে। একেবারে কোনাকুনি শটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন ভিয়েতনামের এই মিডফিল্ডার। তাঁকে আটকানোর চেষ্টায় ব্যর্থই হয়েছেন তারিক কাজী ও ফাহামিদুল ইসলাম।
ভিয়েতনামের সঙ্গে খুব একটা ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। আজকের আগে দুই দলের তিন সাক্ষাতের দুটি হয়েছে ড্র, অন্যটিতে জয় ভিয়েতনামের। দুই দল সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছে দুই যুগ আগে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে।
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের (১৮১) চেয়ে ৭৮ ধাপ এগিয়ে ভিয়েতনাম (১০৩)। সচরাচর এতটা শক্তিশালী দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলে না বাংলাদেশ। গত দুই বছরে সাতটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ; সবগুলোই নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানের সঙ্গে। সেদিক থেকে আজকের ম্যাচটা ব্যতিক্রম।
আগামী ৩১ মার্চ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে হামজারা। তার আগে ভিয়েতনাম ম্যাচটি নিজেদের জন্য যেমন প্রস্তুতির, একইভাবে পরীক্ষাও।
এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে একটি জয় বাংলাদেশের, সেটি গত নভেম্বর ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে। অন্য চার ম্যাচে দুই হার, দুই ড্র। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫।