
রিয়াল মাদ্রিদে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কাটিয়েছেন সোনালি এক দশক। ২০০৯ থেকে ২০১৮—এই নয় বছরে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সবুজ ঘাসে কী করেননি তিনি! ক্লাব ইতিহাসের সব রেকর্ড একাই তছনছ করে দিয়েছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।
নিজেকে নিয়ে গেছেন সর্বকালের সেরার উচ্চতায়। এখন মাদ্রিদের এই সাদা জার্সিতে নতুন কেউ রাজত্ব করতে চাইলে তাঁর সামনে ‘সিআর সেভেনে’র সেই পরিসংখ্যানের পাহাড় ডিঙানোই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সেই একই চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে এখন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি এই ফরোয়ার্ড আছেন দুর্দান্ত ছন্দে। চলতি মৌসুমে ২৮ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল। গতকাল রাতে লা লিগায় ভিয়ারিয়ালের জালে জোড়া গোল করে এক নতুন কীর্তি গড়েছেন তিনি।
লা লিগায় নিজের প্রথম ৫৪ ম্যাচ শেষে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ৫২। যেখানে সমান ম্যাচে রোনালদোর গোল ছিল ৫০টি। অর্থাৎ স্প্যানিশ লিগের লড়াইয়ে রোনালদোকে কিছুটা পেছনেই ফেলেছেন এমবাপ্পে।
তবে লিগে এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক হিসেবে এখনো রোনালদোর ছায়ায় ঢাকা এমবাপ্পে। রিয়ালের হয়ে ফরাসি তারকা এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৮৭টি ম্যাচ। তাঁর গোলসংখ্যা ৭৮।
অথচ রিয়ালের হয়ে প্রথম ৮৭ ম্যাচে রোনালদো গোল করেছিলেন ৮২টি। অর্থাৎ এখনো ‘বস’ রোনালদোর চেয়ে ৪ গোল পিছিয়ে আছেন এমবাপ্পে। বিশেষ করে লা লিগায় রোনালদো ছিলেন আরও বিধ্বংসী ৬১ ম্যাচে করেছিলেন ৬২ গোল।
প্রতিযোগিতার ভিন্নতাও এখানে বড় একটা ফ্যাক্টর। রোনালদোর সেই প্রথম ৮৭ ম্যাচ সীমাবদ্ধ ছিল মূলত তিনটি টুর্নামেন্টে—লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ ও কোপা দেল রে। বিপরীতে এমবাপ্পেকে খেলতে হচ্ছে সাতটি ভিন্ন প্রতিযোগিতায়। স্প্যানিশ সুপার কাপ থেকে শুরু করে ক্লাব বিশ্বকাপ কিংবা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ—এমবাপ্পের গোল ছড়িয়ে আছে সবখানেই।