
কুয়েতের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে লড়াই করতে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে দিতে হবে বড় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় তারিক কাজীর মতো সেন্টারব্যাক যে দরকার, সেটা না বললেও চলছে।
ভালো খবর হলো, কুয়েত ম্যাচে তারিককে রেখে একাদশ সাজিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। ফলে গত ম্যাচে একাদশে খেলা রহমত মিয়া আজ চলে গেছেন বেঞ্চে। তারিক কাজীর একাদশে আসা ছাড়া বাকি দলটা অপরিবর্তিতই রেখেছেন কোচ।
তারিক আর তপু বর্মণই মূলত বাংলাদেশ দলের দুই সেন্টারব্যাক পজিশনে খেলছেন। তপুর সঙ্গে আজকের ম্যাচে তারিক ফেরায় পুরো শক্তির রক্ষণভাগ নিয়েই নামতে পারবে বাংলাদেশ। বেলা সাড়ে তিনটায় বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-কুয়েত লড়াই।
বেঙ্গালুরুতে কাল বাংলাদেশ দলের অনুশীলন শেষে ম্যানেজার আমের খান জানিয়েছিলেন, তারিকের সর্বশেষ অবস্থা ভালোই। পায়ে যে ব্যথা আছে, সেটা বোঝা যায়নি। ফিজিও তাঁকে দেখে ছাড়পত্র দিয়েছেন খেলার জন্য।
কাল দুপুরে সেমিফাইনাল-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা অবশ্য তারিকের খেলার ব্যাপারটা তাঁর ওপরই ছেড়ে দিয়েছিলেন, ‘ওর পায়ের গোড়ালিতে চোট আছে। তবে সে আজ অনুশীলন করবে। অনুশীলনে দেখে বুঝব, তার শারীরিক অবস্থা কেমন। সে ফিট থাকলে খেলবে। নইলে ভুটান ম্যাচের মতো অন্য কেউ খেলবে। এটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। খেলার ব্যাপারটি তার ওপর নির্ভর করছে।’ তারিকের ইচ্ছা ছিল সেমিফাইনালে খেলবেন। তাই তাঁর ইচ্ছাকেই সম্মান দেখিয়েছেন কোচ।
লেবাননের বিপক্ষে তারিকের ভুলে প্রথম গোল খেয়েছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে তারিক রাখেন বড় অবদান। বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি তাঁর। চোটের কারণে ভুটান ম্যাচে খেলেননি বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য এই সেন্টারব্যাক। ভুটান ম্যাচের আগের দুই দিন অনুশীলনও করেননি দলের সঙ্গে।
বাংলাদেশের একাদশ: আনিসুর রহমান, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, তারিক কাজী, ইসা ফয়সাল, সোহেল রানা, মো. হৃদয়, সোহেল রানা (সিনিয়র), জামাল ভূঁইয়া, শেখ মোরছালিন, রাকিব হোসেন।