ইংল্যান্ডের গোল উদযাপন।
ইংল্যান্ডের গোল উদযাপন।

উয়েফা নেশনস লিগ

ক্রোয়েশিয়ার জালে ৭ গোল ইংল্যান্ডের

৮ মিনিটে হ্যারি কেইনের গোল। ২১ মিনিটে জুড বেলিংহামের। ৩৯ মিনিটে স্কোরশিটে নাম তুললেন অ্যান্থনি গর্ডন, ৪৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা। বিরতির আগেই ইংল্যান্ড ৪: ০ ক্রোয়েশিয়া।

এই ম্যাচ আসলে ওখানেই শেষ। এরপর ক্রোয়েশিয়া ঘুরে দাঁড়াতে পারলে সেটা অবিশ্বাস্য কিছু হতো। সে রকম কোনো সুযোগই দেয়নি টমাস টুখেলের দল। উল্টো ক্রোয়েশিয়াকে স্রেফ দর্শক বানিয়ে রেখে বিরতির পর আরও তিনবার বল পাঠায় ওদের জালে। ৭-০ গোলে ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড।

গর্ডন ও কেইন, গোল পেয়েছেন দুজনই।

ম্যাচটা দেখে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এই দলটা কি আসলেই ইংল্যান্ড? এত দুর্দান্ত! বিশ্বকাপের পর ব্রিটিশ মিডিয়া বারবার প্রশ্ন করে গেছে, ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলের পরিকল্পনা ঠিক কী। স্পেনের বিপক্ষে হার, চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে জয়, কোনোটাতেই পুরো উত্তর মেলেনি। উত্তর মিলল আজ উয়েফা নেশনস লিগে, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এসে। ‘টুখেল-বল’খেলেই ক্রোয়েশিয়াকে সেভেন আপের স্বাদ দিলেন হ্যারি কেইনরা।

সাকা-কেইনের গোল উদযাপন।

ভাবা যায়, ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৪ নম্বরে থাকা একটা দলকে এভাবে ভেঙেচুরে দিয়েছে ইংল্যান্ড! ৭-০ গোলের এই হার ক্রোয়েশিয়ার ইতিহাসেও সবচেয়ে বড় পরাজয়। নিজেদের মাঠে এত বড় লজ্জায় আর কখনো ওদের পরতে হয়নি।

হ্যারি কেইন জোড়া গোল করে জাতীয় দলে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে গেলেন ৮৯-এ। বুকায়ো সাকাও করেছেন জোড়া গোল। জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডনও গোল করেছেন। আলাদা করে নজর কাড়লেন অ্যালেক্স স্কটও। ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে বুঝিয়ে দিলেন, তাঁকে সরানো সহজ হবে না।

হতাশায় মাঠ ছাড়ছেন লুকা মদরিচ।

ক্রোয়াট কিংবদন্তি লুকা মদরিচের জন্য এমন রাত বিরল। নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে খুব কম ম্যাচেই এত নিষ্প্রভ ছিলেন। ৫৭ মিনিটে, স্কোরলাইন যখন ৫-০, তাঁকে তুলে নেওয়া হলো। মাথায় হেডব্যান্ড, মুখে হতাশা।

হতাশা আসলে শুধু মদরিচের নয়, পুরো ক্রোয়েশিয়া দলেরই। এই হার ভুলতে অনেকে সময় লাগবে ওদের।